বিধানসভা ভোটে পর্যূদস্ত তৃণমূল কংগ্রেস। পাহাড়েও বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ফলাফল প্রকাশের দুই সপ্তাহের মধ্যে পাহাড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে দল ছাড়ার হিরিক দেখা গেল! সোমবার রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে দল ছাড়লেন তৃণমূল কংগ্রেসের দার্জিলিং পার্বত্য শাখার চেয়ারম্যান লাল বাহাদুর রাই। তাঁর সঙ্গে দলত্যাগ করলেন তৃণমূলের গোটা মিরিক মহকুমা কমিটির সদস্যরাও।
এই বিষয়ে আরও খবর
বিধানসভা নির্বাচনে পাহাড়ের তিনটি আসনে তৃণমূলের জোটসঙ্গী অনীত থাপার ‘ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা’-র ভরাডুবি ঘটে। এরপর থেকেই পাহাড় তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন শুরু হয়। সোমবার সেটা প্রকাশ্যে আসে। পাহাড় থেকে কার্যত নিশ্চিহ্ন হয় তৃণমূল। লাল বাহাদুর রাই এক সময় জিএনএলএফ-এর দাপুটে নেতা ছিলেন। ২০১৭ সালে মিরিক পুরভোটের আগে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। ওই সময় তাঁকে সামনে রেখে পুরসভা ভোটের লড়াইয়ে নামে ঘাসফুল শিবির। নয় আসনের মিরিক পুরসভায় ছয়টি জিতে পাহাড়ে প্রথম কোনও পুরবোর্ড দখল করে তৃণমূল। লাল বাহাদুর রাই পুরপ্রধান হন।

এরপর শান্তা ছেত্রীকে সভাপতি ও লাল বাহাদুরকে চেয়ারম্যান করে পাহাড়ে মূল তৃণমূল ঘর সাজাতে শুরু করে। ২০২২ সালে নির্বাচিত মিরিক পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়। অভিযোগ, নির্বাচনের ব্যবস্থা না করে তৎকালীন তৃণমূল সরকার লাল বাহাদুর রাইকে প্রশাসক পদে বসিয়ে রাখে।কিন্তু রাজ্যে পালাবদল হতে পাহাড়ের রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টাতে শুরু করে। তৃণমূলের জোটসঙ্গী অনীত থাপার ‘ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা’ ভোটে হেরে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে! তখন সেখানকার তৃণমূল নেতারাও রণেভঙ্গ দিয়ে বিকল্প পথের সন্ধান শুরু করেন! সোমবার মিরিকে জরুরি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে চেয়ারম্যান লাল বাহাদুর রাই-সহ দলের সমস্ত স্তরের নেতাকর্মীরা একযোগে দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
ক্লান্তিকর খবরের ভিড়ে হস্তিশাবকের বাঁচার গল্প যেন রূপকথা!
-
লক্ষ্য দ্রুত ভোটারের নাম নথিভুক্তকরণ, ট্রাইবুনালের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কমিশনের, হবে ডিজিটাল শুনানি!
-
কেন্দ্রের অনুদানে কেনা যন্ত্রপাতি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ‘গায়েব’! কড়া শাস্তির নিদান স্বাস্থ্য দপ্তরের
-
স্ত্রী সুনীতা একা, কোমলকে আগলে গণপতি দর্শনে গোবিন্দা, ভগবানকে সাক্ষী রেখে প্রেমে সিলমোহর!
-
মাঝরাতে কমান্ডো অভিযান যোগীরাজ্যে! এনকাউন্টারে খতম স্ত্রী, পুত্র-সহ ২ পুরোহিত খুনে অভিযুক্ত



