তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

‘শুভেন্দু অধিকারী জিন্দাবাদ’, মলয়-অরূপকে পার্টি অফিসে আটকে রেখে বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

জলপাইগুড়ির ঘটনায় পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২০, ২৩:১৮

options
link
‘শুভেন্দু অধিকারী জিন্দাবাদ’, মলয়-অরূপকে পার্টি অফিসে আটকে রেখে বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের তিন মন্ত্রীর সামনেই চলল অশান্তি। শুধু তাই নয়, দুই মন্ত্রীকে দলীয় কার্যালয়ে বেশ কিছুক্ষণ আটকেও রাখা হল। বাইরে থেকে শোনা গেল স্লোগান। “শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে দল চলছে, চলবে” বলেই চলল চিৎকার। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে ডাকতে হল পুলিশ। জলপাইগুড়ির এই ঘটনায় হতবাক প্রায় সকলেই।  

Advertisement

ঠিক কী ঘটল বুধবার? বুধবার রাজ্যের তিন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Aroop Biswas), গৌতম দেব (Goutam Deb) ও মলয় ঘটক (Moloy Ghatak) জলপাইগুড়িতে যান। তাঁদের উপস্থিতিতে জলপাইগুড়ি জেলা ও ব্লক স্তরের কমিটি তৈরি করা হয়। পরে কমিটিতে জায়গা পাওয়া দলের সদস্যদের নাম ঘোষণা হয়। আর তারপরই ঘটল যত কাণ্ড। কমিটিতে থাকা ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা হওয়ামাত্রই রাজ্যের তিন মন্ত্রীর সামনে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ময়নাগুড়ির ব্লক সভাপতি হিসেবে মনোজ রায়ের নাম ঘোষণা হতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ময়নাগুড়ির তৃণমূল নেতা ডালিম রায়ের অনুগামীরা। তাঁরা চিৎকার করতেও থাকেন। এই পরিস্থিতিতে কোনওক্রমে ফুলবাড়ির বিধায়ক তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী গৌতম দেব কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান। তবে টালিগঞ্জের বিধায়ক তথা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং মলয় ঘটক কিছুতেই বেরতে পারেননি। তার ফলে তাঁদের দু’জনকেই প্রায় ঘিরে ফেলেন দলীয় নেতাকর্মীরা। দলীয় কার্যালয়ে  ঘেরাও করেই চলে অবস্থান, বিক্ষোভ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: উত্তর ২৪ পরগনা ও হাওড়ার কোথায় কোথায় লকডাউন? দেখে নিন সেই তালিকা]

পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল আকার নেয়। বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এরপরই অবস্থান, বিক্ষোভ হঠিয়ে দেয় পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘেরাওমুক্ত হন রাজ্যের দুই মন্ত্রী। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ক্রমশই উর্ধ্বমুখী রাজ্যের করোনা গ্রাফ, একদিনে সংক্রমিত হাজার ছুঁইছুঁই]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.