তুষারের কার্পেট বিছিয়ে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি ছিলই। বাদ সেধেছিল শুধু নিরাপত্তার প্রশ্ন! অবশেষে মঙ্গলবার পূর্ব সিকিমের ছাঙ্গু উপত্যকা ভ্রমণের পার্মিট ইস্যু হতে বাধন ছেড়া উচ্ছ্বাস সেখানে। বুধবার তুষারের অমোঘ টানে বাংলার পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ে চিন সীমান্ত সংলগ্ন ওই এলাকার হ্রদের আশপাশে।
আরও পড়ুন:
পূর্ব সিকিমে ১২ হাজার ৪০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত হিমবাহ হ্রদ ছাঙ্গু। স্থানীয় মহলে এটি সোমগো হ্রদ নামেও পরিচিত। ভুটিয়া ভাষায় সোমগো শব্দের অর্থ ‘জলের উৎস’। এটি গ্যাংটক থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যাত্রাপথের দৃশ্য শান্ত ও মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ। হেয়ারপিন বাঁকসহ যে আঁকাবাঁকা, বন্ধুর রাস্তা ধরে বুধবার পর্যটকরা ছাঙ্গু উপত্যকায় পৌঁছেছেন সেটা ছিলো বরফে ঢাকা শ্বেতশুভ্র। কোথাও ৭ ফুট! আবার কোথাও ৪ ফুট পুরু বরফের চাদরে মুড়ে আছে রাস্তার দু’পাশ। ছাঙ্গু হ্রদ প্রতিটি ঋতুতে রঙ পালটায়। সাধারণত শীতে হ্রদের জল জমে বরফ হয়ে যায়। বসন্তে ফুলের সমারোহে সেজে ওঠে। এবার বসন্তে উল্টো ছবির সাক্ষী হয়েছেন পর্যটকরা। বুধবার হ্রদের জল অনেকটাই জমে বরফ হয়েছিল।

মধ্যমগ্রামের বাদামতলা এলাকার বাসিন্দা সমরেশ চৌধুরী বলেন, “ভরা বসন্তে এতো বরফ পেয়ে যাব ভাবতে পারিনি।” পবিত্র ছাঙ্গু হ্রদের জলের আরোগ্যকারী গুণ রয়েছে বলে স্থানীয়দের বিশ্বাস করা হয়। তাই প্রতি বছর গুরু পূর্ণিমায় এখানে অনুষ্ঠান হয়। যদিও সেসব নিয়ে পর্যটকদের খুব একটা মাথাব্যথা নেই। তারা স্নোবুট, গামবুট ও ঐতিহ্যবাহী পোশাক ভাড়া করে নমে পড়েছে বরফের পাহাড়ে। অনেকে ইয়াকের পিঠে চেপে আনন্দ নিজস্বীতে মজেছেন। হেল্প ট্যুরিজমের কর্ণধার রাজ বসু বলেন, “প্রকৃতি এবার নিজেকে উজার করে দিয়েছে। মার্চ-এপ্রিলে এতো ভারী তুষারপাত সাধারণত মেলে না। এবার সেটা মিলতে পর্যটকের ভিড় ক্রমশ বাড়ছে।”
সর্বশেষ খবর
-
সংসদে আরও কোণঠাসা মমতা তৃণমূল! দুই স্ট্যান্ডিং কমিটির মাথায় এনসিপিআই
-
কিং-প্রিন্সের ব্যর্থতার দিনে উজ্জ্বল সেঞ্চুরি রাহুলের, ধাক্কা সামলে সাড়ে তিনশোর গণ্ডি পার ভারতের
-
ক্যারাটের রেফারি প্রতিযোগিতায় সাফল্য, আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের মুখ উজ্জ্বল কোন্নগরের তারকের!
-
নবজাতকদের সব নথি এবার এক ছাদের তলায়! মালবাজারে শুরু ‘প্রজেক্ট পরিচয়’
-
‘প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাব তবে জন্মদিনটা…’, মহানায়কের ‘জন্মশতবর্ষ উদযাপন’-এ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর