এসআইআরের পর এখনও ১৩ লক্ষ ভোটারের নাম এখনও বিচারাধীন। আগামিকাল, বৃহস্পতিবার থেকে এসব নামের নিষ্পত্তি করতে কমিশনের তৈরি ট্রাইব্যুনালের কাজ শুরু করার কথা ছিল। ৭ এপ্রিলের মধ্যে সমস্ত বিচারাধীন ভোটারদের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু জানা যাচ্ছে, পরিকাঠামোর অভাবে ওইদিন শুরু করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ আরও পিছিয়ে গেল বিচারাধীন ভোটারদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ। এতে আরও প্রশ্ন উঠছে, এখনও পর্যন্ত বাদ পড়া বা ‘ডি-ভোটার’দের ফয়সালা কি হতে পারবে ভোটের আগে? সূত্রের খবর, বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাইব্যুনালে যে বিচারপতিরা রয়েছেন, তাঁদের কেউ কেউ এই কাজ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। ফলে কবে ট্রাইব্যুনাল কার্যকর করবে, সে বিষয়ে বিস্তর সংশয় তৈরি হয়েছে।
ট্রাইবুনালের এসওপি তৈরি নিয়ে অসন্তোষ বিচারপতিদের। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলেন বেশ কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠকে বসেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি-সহ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিচারপতিরা কমিশনের কাছে এসওপি তৈরি করে দেওয়ার আবেদন করেন। পালটা কমিশন জানায়, সুপ্রিম কোর্ট যেভাবে নির্দেশ দেবে সেভাবেই কাজ হবে। কমিশনের এই বক্তব্য মানতে নারাজ ট্রাইব্যুনালে নিযুক্ত কয়েকজন বিচারপতি।
আরও পড়ুন:
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের সব জেলার বিচারাধীন মামলাগুলির আবেদন শোনার জন্য ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠনের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। কেবল কলকাতা নয়, রাজ্যের সব ডিএম এবং এসডিও-র কার্যালয় ছাড়াও বিডিও দপ্তরে আবেদন গ্রহণ করা যেতে পারে। সেই আবেদন করা হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইনে আবেদনের কথা জানানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে অফলাইন আবেদন ব্যবস্থা চালুর জন্য যত দ্রুত সম্ভব বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার কথা বলা হয়েছে। ট্রাইবুনালের সামনে সশরীরে বা ভারচুয়াল মাধ্যমে শুনানির সুযোগ দেওয়া যেতে পারে, আবেদনকারীদের শুনানির তারিখ জানানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার থেকেই সেই কাজ শুরুর কথা ছিল অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের। কিন্তু সূত্রের খবর, এখনও যথাযথ পরিকাঠামো তৈরি হয়নি। সেই কারণে কাজ শুরু করা হতে পারবে না। এছাড়া আরও একটি কারণ আছে। ট্রাইবুনালের এসওপি তৈরি নিয়ে অসন্তোষ বিচারপতিদের। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলেন বেশ কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠকে বসেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি-সহ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিচারপতিরা কমিশনের কাছে এসওপি তৈরি করে দেওয়ার আবেদন করেন। পালটা কমিশন জানায়, সুপ্রিম কোর্ট যেভাবে নির্দেশ দেবে সেভাবেই কাজ হবে। কমিশনের এই বক্তব্য মানতে নারাজ ট্রাইব্যুনালে নিযুক্ত কয়েকজন বিচারপতি। তাঁরা কাজ করতে পারবেন না বলে জানান। এসব জেনে মহা বিপাকে এখনও বিচারাধীন ভোটাররা। আদৌ কি ভোটের আগে তাঁদের নিষ্পত্তি হবে? এই ভাবনায় ভাবিত তাঁরা। অন্যদিকে, ৭ এপ্রিলের মধ্যে যে কাজ শেষের কথা ছিল, তাও অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙা আঙুল, যন্ত্রণা সামলে বিশ্বকাপ ফাইনালে নজির, মার্টিনেজের লড়াই ধুলোয় মেশালেন সতীর্থরাই
-
‘তথ্য, যুক্তির সামনে সব ঝড়ই শক্তিহীন’, বাদল অধিবেশনের প্রাক্কালে বিরোধীদের বার্তা মোদির
-
পথে বামেরাই! এসআইআর থেকে ওয়াংচুক, লাগাতার আন্দোলনে হারানো জমি ফেরানোর চেষ্টা
-
ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে রিসর্ট! নেপথ্যের ‘কেষ্ট-বিষ্টুদের’ খোঁজে অডিটের নির্দেশ বনমন্ত্রীর
-
‘পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দেব’ মন্তব্যে ফুঁসছেন বিজেপি কর্মীরা, অভিষেকের ছবিতে জুতোর মালা-ডিম
নিবেদিত


