Bankura

শ্লীলতাহানি থেকে মারধর! এলাকায় ‘ত্রাস’ তৈরি করে বাঁকুড়ায় গ্রেপ্তার ২ তৃণমূল নেতা

২০২৬ সালের একটি মারধরের মামলায় গৌরবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তথা তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা কুতুবউদ্দিন খানকে গ্রেপ্তার করে ইন্দপুর থানার পুলিশ।

টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ১৬:৫৩

options
link
শ্লীলতাহানি থেকে মারধর! এলাকায় ‘ত্রাস’ তৈরি করে বাঁকুড়ায় গ্রেপ্তার ২ তৃণমূল নেতা
বাঁদিকে টুপি পরে কুতুবউদ্দিন খান। নিজস্ব ছবি।

একই দিনে জেলার দুই পৃথক এলাকায় তৃণমূলের দুই নেতার বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। ইন্দাস থানার এলাকায় শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন তৃণমূল কর্মী শেখ সামসুদ্দিন। অন্যদিকে, ২০২৬ সালের একটি মারধরের মামলায় গৌরবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তথা তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা কুতুবউদ্দিন খানকে গ্রেপ্তার করে ইন্দপুর থানার পুলিশ।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাস থানায় দায়ের হওয়া শ্লীলতাহানির মামলায় অভিযোগের ভিত্তিতে শেখ সামসুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিন ধৃতকে আদালতে পেশ করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, ইন্দপুর থানায় ২০২৬ সালের একটি মারামারির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে কুতুবউদ্দিন খানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বুধবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাঁকে খাতড়া মহকুমা আদালতে তোলা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের তালিকায় নাম রয়েছে কুতুবউদ্দিন খানের ছেলে তথা ইন্দপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রেজাউল খানেরও।

Advertisement

রাজ্যে পালাবদলের পর অন্য একটি মামলায় ইন্দপুর থানার পুলিশ রেজাউল খানকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরে তিনি আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। পরপর একই পরিবারের সদস্যদের নাম একাধিক ফৌজদারি মামলায় উঠে আসায় ইন্দপুরের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার রাজনীতিতে প্রভাবশালী এই নেতৃত্বকে ঘিরে যে অভিযোগের কথা তারা তুলে ধরত, পুলিশের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ সেই বিতর্ককে আবার সামনে নিয়ে এসেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.