এবার বিকল্প উপায়ে ঘুরে দাঁড়াবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ব্যর্থ প্রকল্প’ বর্ধমানের মিষ্টি হাব! রাজ্যের ডবল ইঞ্জিন সরকার মিষ্টি হাবের বিশাল ভবনে বিকল্প শিল্পের পরিকল্পনা নিয়েছে। জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীর সরবার এবার বন্ধ অবস্থায় পড়ে থাকা মিষ্টি হাবে কর্মসংস্থান ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে ফুড প্রসেসিং ইউনিট গড়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়াও রাইস ইউনিট, পট্যাটো হাব বা আলুর হাব গড়ার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র এমনই আশার কথা শুনিয়েছেন। এর ফলে বন্ধ থাকা মিষ্টি হাবকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো দেখা দিয়েছে।
বছর পাঁচেক ধরে একেবারেই বন্ধ হয়ে ভুতুড়ে বাড়ি হয়ে গিয়েছে। এবার সেখানেই নতুন আশার সঞ্চার করতে চাইছে বর্তমান রাজ্য সরকার।
আরও পড়ুন:
রাজ্যে পালাবদলের পর শিল্প বাণিজ্য ক্ষেত্রে বিপুল বিনিয়োগ আসতে শুরু করেছে। সরকারি পড়ে থাকা জমি ব্যবহার করে নয়া শিল্প সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে রাজ্য সরকার। কাটোয়ার প্রস্তাবিত তাপবিদ্যৎ কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। এনটিপিসি-র হাতে রয়েছে সেখানকার প্রায় ৬০০ একর জমি। সেই জমিতেও বড় শিল্প গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য। এবার বর্ধমানের মিষ্টি হাবের ভবনেও নয়া ভাবনা রাজ্য সরকারের। পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘স্বপ্নের প্রকল্প’ হিসেবে মিষ্টি হাব গড়েছিলেন। ২০১৭ সালে বর্ধমানের বাম চাঁদাইপুরে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের দুর্গাপুরমুখী লেনের পাশে গড়ে ওঠে ওই মিষ্টি হাব। ওই বছরই এপ্রিলে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেছিলেন তিনি। কিন্তু চালু হওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই ধুঁকতে শুরু করে। দোতলা বিশাল ভবনে প্রায় ৩০টি ঘর রয়েছে। চালু হয়েও একে একে বন্ধ হয়ে যায় সীতাভোগ, মিহিদানা, কাটোয়ার পরানের পান্তুয়া থেকে ল্যাংচার দোকানগুলি। ক্ষোভ বাড়তে শুরু করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

অভিযোগ ওঠে, পরিকল্পনার ঘাটতিতেই এই প্রকল্প সফল হতে পারেনি। চালুর হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই সেখানে একে একে ঝাঁপ বন্ধ হতে শুরু করে দোকানগুলির। একসময় সেখানে উন্নত প্যাকেজিং, প্রসেসিং-এর মাধ্যমে মিষ্টান্ন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয় জেলা প্রশাসনের তরফে। খড়গপুর আইআআটি-র মাধ্যমে প্রকল্প তৈরি থেকে কারিগরি সহায়তা নেওয়া হয়। কিন্তু কোনও কিছুই বাস্তবায়িত করতে পারেনি পূর্বতন তৃণমূল সরকার। বছর পাঁচেক ধরে একেবারেই বন্ধ হয়ে ভুতুড়ে বাড়ি হয়ে গিয়েছে। এবার সেখানেই নতুন আশার সঞ্চার করতে চাইছে বর্তমান রাজ্য সরকার। রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাজ্যের ডবল ইঞ্জিন সরকার শিল্পে জোয়ার আনছে। রাজ্যের মূল লক্ষ্য শিল্প আসুক, কর্মসংস্থান হোক। সরকারি জায়গায় মানুষের কাজে ব্যবহার করা হবে। এখানে ফুড প্রসেসিং ইউনিট গড়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি রাইসের ইউনিট বা আলুর হাবও গড়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে। দ্রুত তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার।
সর্বশেষ খবর
-
মোদির সফরে পরমাণু চুক্তি ভারত-অস্ট্রেলিয়ার, জ্বালানি কর্মসূচিতে আসবে নতুন গতি!
-
তাঁর জন্য যুদ্ধবিরতি পর্যন্ত হয়েছিল! কীভাবে আফ্রিকার ‘আপনজন’ হয়ে ওঠেন পেলে
-
৫ লক্ষ টাকায় চাকরি বিক্রি! সবং থানায় তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ মানস ভুঁইয়াকে
-
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগের পরই অ্যাকশন! ফ্ল্যাটের নামে ৭৪ লক্ষের প্রতারণায় গ্রেপ্তার অভিযুক্ত
-
ভাগ্য বদলাতে পরা রত্ন খাঁটি তো? এই উপায়ে জেনে নিন বাড়িতেই