দেব গোস্বামী, বোলপুর: মেয়াদ শেষের আগের মুহূর্তে ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর। লিখলেন, “আপনার রবীন্দ্রপ্রীতিতে আমি মুগ্ধ।” কিন্তু কেন হঠাৎ এই চিঠি? তা নিয়ে চর্চা শুরু বিভিন্ন মহলে।
একের পর এক বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বর্তমানে ফলক কাণ্ড নিয়ে শোরগোল চলছে। অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছে তৃণমূল। এদিকে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর চাকরির মেয়াদ শেষের পথে। হিসেব মতো আগামিকালই বিশ্বভারতীতে তাঁর শেষ দিন। যদি না কোনওভাবে চাকরির মেয়াদ বাড়ে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছেন উপাচার্য। যেখানে নিজের রবীন্দ্রচর্চা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর সাহিত্য চর্চা ও অঙ্কন দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। যা আদতে কটাক্ষ বলেই দাবি ওয়াকিবহল মহলের। এদিনের চিঠিতে শান্তিকেতনের বাসিন্দাদের নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করেছেন উপাচার্য। বলেছেন, শান্তিনিকেতনের মানুষ নতুনকে গ্রহণ করতে চান না নিজেদের স্বার্থ ছাড়া।
[আরও পড়ুন: ‘আমরা নিজেদের ঠিক রাখছি না’, পার্থ-জ্যোতিপ্রিয়র গ্রেপ্তারিতে আত্মসমালোচনার সুর সৌগতর গলায়]
প্রসঙ্গত, এদিনই বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর চাকরির মেয়াদ শেষ নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরাও। তিনি বলেন, “আগামিকাল অর্থাৎ ৮ তারিখ বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সময়সীমা শেষ হচ্ছে। তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি হবে না।” উপাচার্য যাওয়ার পর শান্তিনিকেতনকে গোবর জল দিয়ে শুদ্ধিকরণ করে পরিষ্কার করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
[আরও পড়ুন: নেই মন্দির, পুজো শেষে আকাশে তারা থাকতেই হয় বিসর্জন, জানুন বালুরঘাটের এই পুজোর ইতিহাস]
সর্বশেষ খবর
-
বুধে বালুরঘাটে সুকান্তের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন মুখ্যমন্ত্রী, মেনুতে থাকছে কোন বিশেষ মাছ?
-
আরও একটু মেসি হলে ক্ষতি কী! অবসরের পর লিওর নামে ‘সংগ্রহশালা’ উৎসর্গ বারাসতের সন্দীপের
-
নেপালে প্রলয়ের ফল, বিহারে ভেসে আসছে ‘অজানা মাছ’, বিপজ্জনক মৎস্যমুখে বারণ প্রশাসনের
-
বন্ধ হবে অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস? কড়া নোটিস দমকলের, ৪৮ ঘণ্টায় জবাব তলব
-
শুরু প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া, কলকাতা পুরসভায় ২০৯ আসনেই লড়বে ঋতব্রতর ‘আসল’ তৃণমূল