সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “কমিশন পক্ষপাতিত্ব করছে”, নির্বাচনের শুরু থেকেই এই অভিযোগ করছে তৃণমূল। রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করলেন, বিজেপি ও কমিশনের নির্দেশেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবাইকে ভয় দেখাচ্ছে পুলিশ। হুঙ্কার ছেড়ে বললেন, “তৃণমূলের কোনও বিকল্প নেই। আমরাই জিতব। তাই তৃণমূল কর্মীদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। জেতার পরই কেস করব।”
করোনার কারণে বড় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কমিশন। তাই সপ্তম-অষ্টম দফার প্রচার ভারচুয়ালি সারছেন মমতা। রবিবার বহরমপুর থেকে ভারচুয়ালি সভা করলেন তৃণমূল নেত্রী। সেখান থেকেই কমিশন ও বিজেপিকে তুলোধোনা করলেন তিনি। অভিযোগ করলেন, অমিত শাহের নির্দেশেই বিজেপি নেতাদের নিরাপত্তা দিচ্ছে কমিশন। সেই বাহিনীর জওয়ানরাই পশ্চিম বর্ধমানে সকলের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন মমতা। কর্মীদের উদ্দেশে বললেন, “তৃণমূল জিতবেই, তাই ভয়ের কোনও কারণ নেই। ফলপ্রকাশের পর আইনি পদক্ষেপ নেব।” রাজ্যপুলিশের ভূমিকাকে কটাক্ষ করে বললেন, “কমিশন এলেই রাজ্য পুলিশ ভয় পেয়ে যায়। ওদের বুদ্ধি কাজ করে না। ওরা ভুলে যায় কমিশন সারা বছর থাকবে না।”
[আরও পড়ুন: মাস্ক ছাড়া রাস্তায় বেরলেই কড়া শাস্তির নির্দেশ, করোনা রুখতে আরও কঠোর রাজ্য়]
বিজেপি-কমিশনের একটি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট তাঁর হাতে এসেছে বলে দাবি করেন মমতা। জানান, সেখানে আলোচনা হচ্ছে, ভোটের দিন দাপুটে তৃণমূল নেতাদের অহেতুক থানায় এনে বসিয়ে রাখা হবে। এরপরই সকলকে সতর্ক করে তিনি নির্দেশ দেন, ভোটের দিন কোনও নেতা যেন থানায় না যান। এদিনের সভা থেকেও রাজ্যের করোনা পরিস্থিতির জন্যও বিজেপি ও কমিশনকে নিশানা করেন মমতা। অক্সিজেনের হাহাকার, হাসপাতালের বেডের অভাব সবকিছুর জন্য কাঠগড়ায় তোলেন মোদিকে। পাশাপাশি আশ্বাস দেন রাজ্যবাসীর পাশে থাকার।
[আরও পড়ুন: ‘তৃণমূলের বিকল্প নেই, জিতবই’, কমিশনকে ভয় না পেয়ে কর্মীদের ভোট করানোর আরজি মমতার]
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক