Egg

লক্ষ্য কর্মসংস্থান, ঘাটতি পূরণে ডিম উৎপাদন নিয়ে বিপ্লবের পথে বাংলা

বর্তমানে প্রতিদিন ৩ কোটি ২০ লক্ষ ডিম উৎপাদিত হয় এ রাজ্যে। ঘাটতি রয়েছে ৮০ লক্ষ। আগামী দেড় বছরের মধ্যে এই ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে হাঁটছে রাজ্য সরকার।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৫:৩৯

options
link
লক্ষ্য কর্মসংস্থান, ঘাটতি পূরণে ডিম উৎপাদন নিয়ে বিপ্লবের পথে বাংলা
ফাইল ছবি।

এবার ডিম-শিল্পে বিপ্লবের পথে হাঁটছে রাজ্য সরকার। ঘাটতি মিটিয়ে দেড় বছরের মধ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতে ডিম পাঠাবে বাংলা। সঙ্গে বাড়বে কর্মসংস্থান। এই মুহূর্তে ডিম-শিল্পে কর্মসংস্থান প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মিলিয়ে ২০ লক্ষ জনের। দেড় বছরের মধ্যে সেই কর্মসংস্থান কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে।

Advertisement

বর্তমানে প্রতিদিন ৩ কোটি ২০ লক্ষ ডিম উৎপাদিত হয় এ রাজ্যে। ঘাটতি রয়েছে ৮০ লক্ষ। এই ডিম সরবরাহ করে অন্ধ্রপ্রদেশ বা অন্য রাজ্য। আগামী দেড় বছরের মধ্যে এই ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে হাঁটছে রাজ্য সরকার। ভিন রাজ্য থেকে আর ডিম আনতে হবে না। অর্থাৎ ডিম উৎপাদনে স্বনির্ভর হয়ে উঠবে বাংলা। গোটা রাজ্যে ডিম উৎপাদনের ফার্ম রয়েছে ৪০০টি। ডিম-শিল্পে প্রত্যক্ষভাবে কর্মসংস্থান হয়েছে ৮ লক্ষ জনের। আর পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান হয়েছে ১২ লক্ষ মানুষের।

Advertisement

প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর সূত্রের খবর, ডিম উৎপাদন বাড়াতে হাঁস, মুরগি পালনের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের যুক্ত করা হবে। এ ছাড়া নানা রূপরেখা রয়েছে। এখন উত্তর-পূর্ব ভারতে ডিমের চাহিদা মেটায় অন্ধ্রপ্রদেশ। সেই ডিম যায় বাংলার উপর দিয়েই। প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানান, ঘাটতি মিটিয়ে উত্তর পূর্ব ভারতে ডিম পাঠাবে বাংলা। ঝাড়খণ্ড, অসম, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড-সহ বিভিন্ন রাজ্যে ডিমের চাহিদা মেটাবে এবার বাংলা। তবে ডিমের দাম যাতে আমজনতার হাতের নাগালের বাইরে না যায়, তা নিয়ে কড়া নজরদারি রাখছে রাজ্য সরকার।

Advertisement

ডিম উৎপাদনে যুক্ত ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, ডিমের দাম বাড়ার নেপথ্যে রয়েছে মুরগির খাবারের দাম বৃদ্ধি। কয়েক মাস আগেও সয়াবিনের কেজি প্রতি দাম ছিল ৪২ টাকা। এখন সেটা হয়েছে ৭৬ টাকা। ভুট্টার কেজি প্রতি দাম ছিল ২০ টাকা। এখন সেটা হয়েছে ২৫ টাকা। খাবারের দাম বৃদ্ধি শুধু বাংলাতেই নয়, গোটা দেশেই হয়েছে। চাষিরা ডিম এখন বিক্রি করছেন ৭ টাকা প্রতি পিস। পশ্চিমবঙ্গ পোল্ট্রি ফেডারেশনের আহ্বায়ক মদন মাইতি বলেন, “দপ্তরের মন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। ডিম উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।” ডবল ইঞ্জিন সরকারে ডিম উৎপাদনে গতি বেড়েছে বাংলার। স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে চলেছে। দ্রুত সেই মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলবে বাংলা, আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.