Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Anubrata Mondal

সরকারকে কালিমালিপ্ত করার ছক! অনুব্রতর কার্যালয়ে তালা বিজেপির, হুঁশিয়ারি কাউন্সিলরদেরও

সোমবারই ওই পার্টি অফিসে একটি বৈঠক হয়। যেখানে বোলপুর পুরসভার কাউন্সিলর-সহ জেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৭:৪৫

link
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৭:৪৫

options
link
সরকারকে কালিমালিপ্ত করার ছক! অনুব্রতর কার্যালয়ে তালা বিজেপির, হুঁশিয়ারি কাউন্সিলরদেরও zoom
তৃণমূল কার্যালয়ে তালা বিজেপি মোর্চার।
Advertisement

রাজ্যে পালাবদলের পরেই নিজেকে ‘গৃহবন্দি’ করেছেন অনুব্রত মণ্ডল। প্রকাশ্যে তাঁকে আর দেখা যায় না। তবে বোলপুরে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে যান নিয়ম করেই। প্রতিদিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্তও থাকেন। সোমবারও গিয়েছিলেন। জেলার নেতাকর্মীদের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেছিলেন বলে খবর। এবার সেই তৃণমূল কার্যালয়ে মঙ্গলবার তালা ঝুলিয়ে দিলেন বিজেপি যুব মোর্চার নেতা-কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, ক্ষমতায় বিজেপি আসার পরই বোলপুর পুরসভা কোনও কাজ করছে না। মানুষকে পরিষেবা দিচ্ছেন না তৃণমূল কাউন্সিলররাও। বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করতে জেলার তৃণমূল নেতাদের নির্দেশে এই কাজ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ মোর্চার। এই অভিযোগেই এদিন অনুব্রত মণ্ডলের কার্যালয়ে তালাবন্ধ করে বিক্ষোভ দেখান কর্মী সমর্থকরা।

এই ঘটনায় অনুব্রত মণ্ডল বলেন,” দলীয় কার্যালয় কারও নয়। আমি জেলাশাসক এবং জেলার পুলিশ সুপারকে বিষয়টি জানিয়ে ফোন করেছি।”

বিজেপি যুব মোর্চার এক নেতার কথায়, এই জেলা কার্যালয়ে বসেই বীরভূমের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন অনুব্রত মণ্ডল। ক্ষমতার পালাবদলের পরও এই কার্যালয়ে বসেন। বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি অরুণ দাস বলেন, ”জনগনের কোনও কাজ হচ্ছে না। নুন্যতম সুযোগ সুবিধা পেতে মানুষকে ছুটে বেড়াতে হচ্ছে। পরিষ্কার হচ্ছে না জঞ্জাল। নিকাশির অবস্থাও খারাপ।” ওই নেতার কথায়, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এখন। এই পার্টি অফিস থেকে তৃণমূল কাউন্সিলরদের কোনও কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে। শুধুমাত্র সরকারকে কালিমালিপ্ত করতেই এই কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি। এর প্রতিবাদেই এদিনের এই বিক্ষোভ বলেও দাবি তাঁর। এরপরেও কোনও পদক্ষেপ না নেওয়া হলে কাউন্সিলরদের বাড়ি ঘেরাও করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি যুব মোর্চার ওই নেতার।

Advertisement

জানা গিয়েছে, সোমবারই ওই পার্টি অফিসে একটি বৈঠক হয়। যেখানে বোলপুর পুরসভার কাউন্সিলর-সহ জেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুব্রত মণ্ডলের নেতৃত্বেই এই বৈঠক হয় বলে খবর। এহেন বৈঠকের কার্যত ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বিজেপি মোর্চার এহেন কর্মসূচি ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বোলপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল বলেন, “কি হয়েছে। খোঁজ নেব।” অন্যদিকে এই ঘটনায় অনুব্রত মণ্ডল বলেন,” দলীয় কার্যালয় কারও নয়। আমি জেলাশাসক এবং জেলার পুলিশ সুপারকে বিষয়টি জানিয়ে ফোন করেছি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.