Kalyani

প্রেমের মর্মান্তিক পরিণতি! বিয়ের ৩ বছরের মাথায় কল্যাণীতে রহস্যমৃত্যু তরুণীর, পিটিয়ে ‘খুন’ দাবি পরিবারের

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তরুণীর নাম বৃষ্টি পাড়ুই। তিনি হরিণঘাটা পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের দিঘাপাড়া শিবমন্দির এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় যুবক সুজিত ভৌমিকের সঙ্গে বৃষ্টির প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

সুবীর দাস
সুবীর দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ১৮:০৮

options
link
প্রেমের মর্মান্তিক পরিণতি! বিয়ের ৩ বছরের মাথায় কল্যাণীতে রহস্যমৃত্যু তরুণীর, পিটিয়ে ‘খুন’ দাবি পরিবারের
মৃত তরুণী বৃষ্টি পাড়ুই।

প্রেমের পর বিয়ে। বিবাহের ৩ বছরের মধ্যে তরুণীর রহস্যমৃত্যু! স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ। পণের দাবিতে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে দাবি মৃতার বাবা-মার। অন্যদিকে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি আত্মঘাতী হয়েছেন গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে কল্যাণীর হরিণঘাটায়। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

Advertisement

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তরুণীর নাম বৃষ্টি পাড়ুই। তিনি হরিণঘাটা পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের দিঘাপাড়া শিবমন্দির এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় এক যুবক সুজিত ভৌমিকের সঙ্গে বৃষ্টির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পছন্দের ছেলের সঙ্গেই তাঁর বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বৃষ্টিকে বাপের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার জন্য চাপ দিত স্বামী ও তাঁর পরিবার। অভিযুক্ত সুজিত মদ্যপ অবস্থায় বৃষ্টিকে মারধর করতেন বলেও অভিযোগ। এমনকী আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হত না বলেও অভিযোগ রয়েছে। মেয়ের উপর নির্যাতনের খবর পেয়ে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসার জন্য বৃষ্টির বাবা কৃষ্ণ পাড়ুই। অভিযোগ সেই সময় তাঁকেও মারধর করেন যুবক। বাদানুবাদের পর তিনি ফিরে আসেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এ দিন শুক্রবার সকালে বৃষ্টির পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন তাঁদের মেয়ে হরিণঘাটা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন বৃষ্টি মারা গিয়েছেন। দেহ হাসপাতালে পড়ে রয়েছে। সেখানে গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির কেউ ছিলেন না বলে দাবি করেছেন বাপির বাড়ির লোক। শ্বশুরবাড়ির দাবি, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বৃষ্টি। যদিও মৃতার পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে মারধর করে খুন করা হয়েছে। পরিবারে সদস্যরা থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। মৃতার এক দাদা বলেন, “ছেলেটি কোনও কাজ করেনা। বোনকে বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া হত। প্রতিবেশীদের থেকে জানতে পেরেছি ওর উপর প্রায়ই অত্যাচার চালানো হত। আমরা কড়া শাস্তি চাই।” মৃতার বাবা কৃষ্ণ পাড়ুই বলেন, “মেয়েকে মেরে বাড়িতে শুইয়ে রাখা হয়েছিল। আগের দিন আমাকেও মারধর করা হয়েছে। জামাইয়ের কড়া শাস্তি চাই।”

Advertisement

অভিযোগ পাওয়ার পর বৃষ্টির স্বামী সুজিত ভৌমিককে আটক করেছে পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.