গলসিতে গৃহবধূর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার, ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ

মৃতদেহের পাশেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে জামাকাপড়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮, ২০:২৩

options
link
গলসিতে গৃহবধূর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার, ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ

সৌরভ মাজি,  বর্ধমান: সেচখাল থেকে এক গৃহবধূর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির সাঁকো এলাকায়। বাড়ি থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ৷ স্থানীয়দের দাবি, ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে৷ পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে৷ জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, ধর্ষণ করে খুন কিনা এখনই বলা সম্ভব নয়৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তা বোঝা যাবে৷

Advertisement

[বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, আত্মঘাতী অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রী]

ঘটনাস্থল থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে রাঘবপুরে শ্বশুরবাড়ি ওই বধূর৷ বাপের বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে ১ কিলোমিটার দূরে সাঁকো গ্রামে৷ মৃতের স্বামী শম্ভুবাবু জানিয়েছেন, শনিবার সকাল ১১টায় সাইকেল নিয়ে বেরিয়েছিলেন ওই গৃহবধূ৷ কিন্তু বাপের বাড়ি পৌঁছাননি তিনি। দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিলেন বছর ৩৬-র ওই বধূ। ওইদিন সন্ধ্যা থেকে খোঁজ শুরু করেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু সন্ধান পাননি৷ রবিবার ভোরে মৃতের বাবা মেয়েকে খুঁজতে বের হন৷ তিনি জানান, সেচখালের ধারে গিয়ে প্রথমে মেয়ের ব্যাগ দেখতে পান। এগিয়ে যেতেই মেয়েকে পড়ে থাকতে দেখেন। মেয়ে মারা গিয়েছে প্রথমে বুঝতেই পারেননি তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[সরকারি চাকরির পরীক্ষায় ‘হাইটেক টুকলি’! পুলিশের জালে ‘মুন্নাভাই’]

Advertisement

পরে, বাড়ি ফিরে খবর দেন থানায়৷ খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরাও ঘটনাস্থলে যান৷ দেখেন অর্ধনগ্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে গৃহবধূর দেহ৷ স্থানীয়রা দেখেন, দেহের আশেপাশে জামাকাপড় ও অন্যান্য জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে৷ একটু দূরে পড়েছিল তাঁর সাইকেলটিও। মৃতদেহের পাশে মদের বোতল ও চিপসের প্যাকেটও পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা৷ খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের দাবি, ওই মহিলার মাথার পিছনে ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়েছে। এমনকী ধর্ষণ করা হয় বলেও দাবি করেছেন তাঁরা। সাঁকো গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুবোধ কারক জানান, তাঁর বাড়ি থেকে কয়েকটি বাড়ির পরেই গৃহবধূর বাড়ি। ঘটনার কথা শুনেই ঘটনাস্থলে যান তিনি৷ তাঁর অনুমান, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে৷ তা না হলে দেহ অর্ধনগ্ন অবস্থায় দেহ পড়ে থাকতো না৷ পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে৷  দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন তিনি৷ যদিও পুলিশ ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে কিনা নিশ্চিত হতে পারেনি৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে পুলিশ৷

[‘আমাকে কেউ কাকা বলে ডাকবেন না’! কেন এমন মন্তব্য রবীন্দ্রনাথ ঘোষের?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন