IEM UEM

বিশ্বজয় কলকাতার পড়ুয়াদের, দিল্লির ভারত মণ্ডপমে জোড়া মুকুটে উজ্জ্বল আইইএম-ইউইএম

দিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’-এ সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিল ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (UEM)। ২০ হাজার প্রকল্পের লড়াইয়ে প্রথম ও দ্বিতীয়— উভয় পুরস্কারই গেল তাঁদের দখলে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৫:০৫

options
link
বিশ্বজয় কলকাতার পড়ুয়াদের, দিল্লির ভারত মণ্ডপমে জোড়া মুকুটে উজ্জ্বল আইইএম-ইউইএম
নজির গড়ল ইউইএম কলকাতা।

বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) মহাকুম্ভে বাজিমাত করল কলকাতার পড়ুয়ারা। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’-এ সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিল ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (UEM)। ২০ হাজার প্রকল্পের লড়াইয়ে প্রথম ও দ্বিতীয়— উভয় পুরস্কারই গেল তাঁদের দখলে। আসরে একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দু’টি প্রধান পুরস্কার জিতে নজির গড়ল ইউইএম কলকাতা।

Advertisement

এআই সামিটের মঞ্চে নজর কেড়েছে ‘অগ্নিসেনা’। প্রথম পুরস্কারজয়ী এই প্রকল্পটি আসলে একটি অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ব্যবস্থা। কোথাও আগুন লাগলে তা দ্রুত চিহ্নিত করতে পারে এই যন্ত্র। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরুরি বার্তা পাঠাতে সক্ষম অগ্নিসেনা। পরিবেশের ক্ষতি কমাতে এর অবদান অনস্বীকার্য। প্রথম পুরস্কার হিসেবে ১৫ লক্ষ টাকা ও রে-ব্যান মেটা এআই চশমা জিতে নিয়েছে এই দল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে পথপ্রদর্শক হিসেবে দ্বিতীয় পুরস্কার জয় করেছে ‘এক্সপেনেবল এআই’ (XAI) প্রকল্প। এর মাধ্যমে ডায়সারথ্রিয়া বা বাক-অসংলগ্নতার প্রাথমিক উপসর্গ ধরা পড়বে। বিশেষ অ্যালগরিদমের সাহায্যে চিকিৎসকেরা আরও দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। এই দলটি পেয়েছে ১০ লক্ষ টাকার পুরস্কার।

Advertisement

দিল্লির অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কেন্দ্রীয় রেল ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ। স্নাতক স্তরের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের এই কৃতিত্বে অভিভূত গোটা দেশ। এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে আইইএম-ইউইএম গোষ্ঠীর নিজস্ব গবেষণাগার ‘আইইডিসি’। স্নাতক স্তরেই যে বিশ্বমানের গবেষণা সম্ভব, তা প্রমাণ করে দিলেন বাংলার ছাত্রছাত্রীরা। বাংলার মেধার এই জয়জয়কার এখন দিল্লিশ্বরের দরবারে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন