বিরিয়ানির রমরমা ব্যবসায় বিরাট অঙ্কের করফাঁকি! রুটিন নজরদারি চালাতে ধরা পড়ল দেশজুড়ে চলা ৭০,০০০ কোটি টাকার করফাঁকির বিপুল চক্র। ঘটনাস্থল হায়দরাবাদ। এখানেই একাধিক রেস্তরাঁ রীতিমতো জালিয়াতি করে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার করফাঁকি দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে তদন্তে।
জানা যাচ্ছে, হায়দরাবাদে বিরিয়ানির জন্য নামকরা বেশ কয়েকটি রেস্তরাঁয় সম্প্রতি নজরদাড়ি চালাতে গিয়েছিল পুলিশ। সেখানেই তদন্তে জানা গিয়েছে বেশিরভাগ রেস্তরাঁই তাদের উপার্জনের সঠিক অঙ্ক সামনে আনছে না। বিক্রিবাটা ভালো হলেও, আয়ের যে অঙ্ক তারা প্রকাশ্যে আনছে, তা আসলের তুলনায় অনেকটাই কম। আর এ সব তারা করছে করফাঁকি দেওয়ার জন্য। এই প্রক্রিয়ার সাহায্য নিয়ে তারা গত কিছু বছরে অন্তত ৭০,০০০ কোটি টাকার করফাঁকি দিতে পেরেছে।
আরও পড়ুন:
পুলিশি তদন্তে জানা যাচ্ছে, এই ‘জালিয়াতি’র মূলে রয়েছে একটি বিশাল কম্পিউটার, যেখানে বিল প্রস্তুত করা হয়। শুধু হায়দরাবাদ নয়, দেশজুড়ে ১ লক্ষেরও বেশি রেস্তরাঁয় এই কম্পিউটারে বিল তৈরি হয়। একাজে ব্যবহার করা হয় একটি বিশেষ ধরনের বিলিং সফটওয়্যার। রেস্তরাঁগুলি কৌশল করে এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ক্রেতাদের বেশিরভাগ বিলই মুছে ফেলে (‘ডিলিট’ করে)। ফলে অনেক টাকার আয় হলেও সফটওয়্যার দেখায়, আয়ের অঙ্ক অনেক কম।
গোটা ঘটনা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে তদন্তকারীরা। পুলিশ ও আয়কর আধিকারিকরা এক লক্ষের বেশি রেস্তরাঁর ব্যবহৃত বিলিং ডেটাবেস বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ভারত জুড়ে, সফটওয়্যার ডাটাবেসে ১৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিলিং ডেটা মুছে ফেলার ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে, টাকার অঙ্কে যা ৭০,০০০ কোটি । কর্নাটক, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের মতো রাজ্যগুলিকে করফাঁকির প্রধান হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। কর্নাটক থেকে বিল বাতিলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বলে জানা যাচ্ছে তদন্তে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন