UEM Kolkata

স্বপ্নপূরণের মহোৎসব, UEM কলকাতার সমাবর্তনে মেধার জয়জয়কার

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারের কথা। এরপর উপাচার্য বার্ষিক রিপোর্টে বিগত বছরের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৯:১৩

options
link
স্বপ্নপূরণের মহোৎসব, UEM কলকাতার সমাবর্তনে মেধার জয়জয়কার

নিউ টাউনের ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (UEM) চত্বরে আজ অনুষ্ঠিত হল বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠান। দীর্ঘ কয়েক বছরের কঠোর পরিশ্রম, রাত জাগা পড়াশোনা আর হাজারো স্বপ্নের সার্থকতা মিলল এই সমাবর্তন মঞ্চে। ২০২৫ ব্যাচের উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের হাতে যখন ডিগ্রির সংশয়পত্র তুলে দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাঁদের চোখের উজ্জ্বলতাই বলে দিচ্ছিল যে আগামীর বিশ্বজয়ের জন্য তাঁরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

Advertisement

সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ছিল উৎসবের আমেজ। শোভাযাত্রার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের গাম্ভীর্যপূর্ণ সূচনা হয়। প্রদীপ প্রজ্বলন ও জাতীয় সঙ্গীতের সুর এক অনন্য পরিবেশ তৈরি করে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারের কথা। এরপর উপাচার্য বার্ষিক রিপোর্টে বিগত বছরের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এ দিনের অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিশেষ সম্মাননা। বিজ্ঞান, শিক্ষা ও শিল্প জগতের দিকপাল ব্যক্তিত্বদের সাম্মানিক ডক্টরেট প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ড. সত্যজিৎ চক্রবর্তী সমাবর্তনের স্বাগত ভাষণ দেন। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু ডিগ্রি নয়, নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত পেশাদার তৈরি করা।”

Advertisement

এ দিনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পদ্মশ্রী অধ্যাপক ভি এস চৌহান। ইউজিসি-র প্রাক্তন এই অধিকর্তা পড়ুয়াদের উদ্ভাবনী চিন্তার পথে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ছাত্রছাত্রীদের আগামীর পথে দিশা দেখান শিল্পক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরাও। গোটা অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেন আইইএম-ইউইএম গ্রুপের পরীক্ষা নিয়ামক ড. দেবিকা ভট্টাচার্য।

ডিগ্রি নেওয়ার আগে সমস্ত পড়ুয়া একযোগে শপথ গ্রহণ করেন। তাঁরা অঙ্গীকার করেন, কর্মজীবনে সততা ও সামাজিক দায়িত্ব বজায় রাখবেন। সবশেষে পিএইচডি ও স্নাতক স্তরের সংশয়পত্র বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। সব মিলিয়ে একরাশ স্বপ্ন আর প্রাপ্তির আনন্দ নিয়ে ঘরে ফিরলেন আগামীর ইঞ্জিনিয়ার ও গবেষকরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন