কোন কোন ক্ষেত্রে ছাড়

দেশে দ্বিতীয় দফা লকডাউনের মাঝেই সচল হচ্ছে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র, দেখে নিন তালিকা

১৩ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীর্ঘ চার ঘণ্টার বৈঠকের পর তালিকা প্রকাশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২০, ১৭:২২

options
link
দেশে দ্বিতীয় দফা লকডাউনের মাঝেই সচল হচ্ছে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র, দেখে নিন তালিকা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে দ্বিতীয় দফা লকডাউন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, এপ্রিলের ২০ তারিখ থেকে বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্রকে কাজের আওতায় আনা হবে। শিল্প-বাণিজ্য একেবারে থমকে গেলে দেশের অর্থনীতি একেবারেই নুয়ে পড়বে। সেকথা ভেবেই কৃষিক্ষেত্র-সহ কয়েকটি বিভাগের কাজ চালু করতে সম্মতি দিয়েছে কেন্দ্র। কোন কোন ক্ষেত্র আবার কর্মমুখর হচ্ছে, নতুন করে সেই সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্র। তাতে যোগ হয়েছে আরও কয়েকটি ক্ষেত্র। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের উপর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় হাসপাতালের দুর্দশার তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট, বরখাস্ত চিকিৎসক]

প্রথমে ঠিক ছিল, কৃষিক্ষেত্রকে সচল করা হবে। কৃষিজ পণ্য কেনাবেচায় কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না, তাও স্থির ছিল। শনিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাসভবনে মন্ত্রিগোষ্ঠীর দীর্ঘ চার ঘণ্টার বৈঠকের পর নতুন তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্র। কৃষিজ ক্ষেত্রের পাশাপাশি উদ্যান পালন বিভাগও সচল
হচ্ছে –

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
  • চা, কফি, রাবার বাগানে কাজ শুরু হচ্ছে। কাজ করবেন ৫০ শতাংশ কর্মী।
  • দেশের জলসীমায় চালু হচ্ছে মাছ ধরা।
  • কাজে ফিরছে পশুপালন ক্ষেত্র।
  • আদিবাসী এলাকায় বাদাম, নারকেল জাতীয় অরণ্য সম্পদ সংগ্রহে কোনও বাধা থাকছে না
  • গ্রামাঞ্চলে জল-বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনও বাধা নেই।
  • টেলিকম ক্ষেত্র সচল হচ্ছে, চলবে অপটিক্যাল ফাইবার বসানোর কাজ।
  • ই-কমার্স অর্থাৎ বিভিন্ন অনলাইন বাণিজ্য সংস্থাকে কেনাবেচায় ছাড় দেওয়া হয়েছে, তবে তা অনুমতি সাপেক্ষ। এই ই-কমার্সগুলির মাধ্যমে মূলত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনাবেচায় ছাড় ছিল।
  • নন-ব্যাংকিং সেক্টর, ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প প্রয়োজনমতো কাজে ফিরতে পারবে। তবে ন্যূনতম কর্মী নিয়ে এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে কাজ করতে হবে।
  • বেসরকারি কিছু কিছু অফিস চালু করার যেতে পারে, তবে সেক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম লাগু হবে।

তবে সংক্রমিত এলাকার (Containment Zones) জন্য কোনও ছাড়ই নেই। আজ মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সূ্ত্রের খবর, বৈঠকে ছিলেন ১৩ জন মন্ত্রী। তাঁদের বেশিরভাগই লকডাউনের জেরে অর্থনৈতিক ক্ষতির বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এরপর কোন কোন ক্ষেত্রকে ছাড় দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত স্থির করতে প্রায় চার ঘণ্টা সময় লেগেছে। যদিও প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার। চাইলে তারা প্রয়োজন বুঝে ছাড়ের বদলে আরও আঁটসাঁট ঘেরাটোপেও বাঁধতে পারে।

[আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র সরকারি কর্মীদের বেতনে কাটছাঁট, বাতিল মহার্ঘ্য ভাতা বৃদ্ধিও]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন