করোনা ভাইরাস চিন

শিক্ষা হয়নি চিনের, করোনার প্রকোপ কমতেই শুরু কুকুর-বাদুড়ের মাংস খাওয়া!

বিজ্ঞানীদের একাংশের ধারণা, বাদুড়ের মাংস থেকেই প্রথম করোনা ছড়িয়েছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২০, ১৭:০২

options
link
শিক্ষা হয়নি চিনের, করোনার প্রকোপ কমতেই শুরু কুকুর-বাদুড়ের মাংস খাওয়া!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা মহামারি থেকে শিক্ষা নেয়নি চিন। মারক ভাইরাসের (COVID-19) প্রকোপ খানিকটা কমতেই আবার স্ব-মহিমায় ফিরছে চিনের মাংস বাজারগুলি (Wet markets)। আগের মতোই দেদার বিকোচ্ছে বাদুড়, কুকুর, প্যাঙ্গোলিনের মাংস। যা কিনা মহানন্দে উপভোগ করে চিনারা। আমেরিকার একটি সংবাদ মাধ্যমের দাবি, করোনার প্রকোপ কিছুটা কমতেই আগের মতোই কুকুর-বাদুড়ের মাংস খাওয়া শুরু হয়ে গেছে চিনে।

Advertisement

china-corona

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ওই সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী,’করোনা ভাইরাস ছড়ানোর আগে যেভাবে বিক্রি হত ঠিক সেভাবেই বাজারে ফের বাদুড়, প্যাঙ্গোলিন ও কুকুরের মাংস বিক্রি শুরু হয়েছে।’ আরও বিপজ্জনক বিষয় হল, এবারে এই বাজারগুলোর উপর কড়া নজর রাখছে চিনা প্রশাসন। কোনওভাবে যাতে কেউ ছবি তুলে না নিয়ে যেতে পারে, বা এই পশুর মাংসের ছবি যাতে বাইরে না যেতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই নজরদারি চালানো হচ্ছে। চিনের বাজারে নতুন করে কুকুর-বাদুড়ের মাংস বিক্রির খবর প্রকাশ্যে আসতেই চিন্তায় গোটা বিশ্বের বিজ্ঞানী মহল। কারণ, বিজ্ঞানীদের ধারণা এই বাদুড়ের মাংস থেকেই প্রথম করোনা ছড়িয়েছিল। ইউহান প্রদেশের মাংসের বাজারগুলিই প্রথম করোনার এপিসেন্টার হয়ে উঠেছিল। নতুন করে এই মাংসের বাজার খুললে নতুন করে করোনার সংক্রমণ হতে পারে। আর এবার যদি নতুন করে সংক্রমণ হয়, তবে তা আগের থেকে অনেক বেশি বিপজ্জনক হবে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে মৃত্যুর হার, প্রত্যাশাকে হার মানাচ্ছে করোনার ভয়াবহতা!]

করোনা ভাইরাসের দাপট সবার প্রথমে দেখা যায় চিনের ইউহান (Wuhan) প্রদেশে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ইউহানে করোনা ভাইরাসের (CoronaVirus) সংক্রমণের বিষয়টি সামনে আসে। সেখান থেকেই আস্তে আস্তে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে মারক ভাইরাসটি। আপাতত চিনে এর সংক্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশে প্রভাব মারাত্মক। চিনে প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত হওয়া চার মাস হয়ে গিয়েছে। COVID-19 আগের মতো প্রকোপ একেবারেই দেখাতে পারছে না। আর তাতেই চিনাদের মনে হওয়া শুরু হয়েছে, করোনা এখন অতীত। চিনে আর এর প্রভাব পড়বে না। এই মানসিকতাকে বিপজ্জনক বলে মনে করছে বিজ্ঞানীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.