রাহুল সিনহা

লকডাউনকে তোয়াক্কা না করে রাস্তায় নেমে করোনা সতর্কতায় প্রচার, বিতর্কে রাহুল সিনহা

বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচারে 'না' বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২০, ০৮:৪৯

options
link
লকডাউনকে তোয়াক্কা না করে রাস্তায় নেমে করোনা সতর্কতায় প্রচার, বিতর্কে রাহুল সিনহা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা থেকে বাঁচতে গোটা রাজ্যজুড়ে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সে নিয়ম মানার কোনও প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেননি বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা। বাড়িতে থাকার পরিবর্তে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করলেন তিনি। সচেতন করার পরিবর্তে কোনওভাবে রোগকে ডেকে আনছেন না তো বিজেপি নেতা? ছবি ভাইরাল হওয়ার পর এই প্রশ্নই মাথাচাড়া দিচ্ছে বারবার।

Advertisement

নরেন্দ্র মোদি খোদ জানিয়েছিলেন করোনা আবহে বাড়ি বাড়ি ঘুরে জনসংযোগ বন্ধ রাখতে হবে। তার পরিবর্তে ফোন কিংবা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে হবে করোনা নিয়ে সচেতনতার বার্তা। কিন্তু তাতেও টনক নড়েনি বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহার। সোমবার গিরিশ পার্ক এলাকায় একটি সচেতনতা ক্যাম্প করেছিল বিজেপি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা। রাজ্যে যে লকডাউন চলছে তা প্রতি নাগরিককে মেনে চলার আবেদন করেন রাহুলবাবু। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিহ্নিত করতে আসানসোলে একটি ‘টেস্টিং ফেসিলিটি সেন্টার’ করার অনুরোধ জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনকে চিঠি দিয়েছেন আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ দিলীপ ঘোষ, সুভাষ সরকার-সহ এরাজ্যে দলের অন্য সাংসদরাও কলকাতা ফিরছেন। আগামী কয়েকদিন প্রত্যেকেই নিজের এলাকায় ঘরে থেকেই জনসংযোগ সারবেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় আরও তৎপর রাজ্য, কলকাতা মেডিক্যালে চিকিৎসার বন্দোবস্তের ভাবনা]

বিজেপির রাজ্য নেতা তথা সাংসদ ডা: সুভাষ সরকার জানিয়েছেন, বাড়ি থেকেই পার্টির কাজ, জনসংযোগ, প্রশাসনিক কাজ করব। করোনা সচেতনতা বাড়াতে বেশ কিছু বিষয়ে রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার। সুভাষবাবুর বক্তব্য, ভিন রাজ্য থেকে গ্রামে-গঞ্জে থাকেন যাঁরা আসছেন তাঁরা কোয়ারেনটাইনে থাকছেন না। এটা নজর দেওয়া দরকার। এছাড়া, যাঁরা ভিন রাজ্য থেকে ট্রেনে ফিরেছেন তাঁদের চিহ্নিত করা যায়নি। করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে প্রথম যিনি এসেছেন সেই ব্যক্তি যাঁদের সংস্পর্শে যাচ্ছেন তাঁদের চিহ্নিত করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন বিজেপি সাংসদ। সুভাষবাবুর নিজের লোকসভা কেন্দ্র বাঁকুড়া থেকে একদল তীর্থযাত্রীদের নিয়ে একটি বাস গত ৩ মার্চ তীর্থস্থান ভ্রমণে বেরিয়েছিল। লকডাউনের জন্য রাজস্থানে বাসটিকে আটকে দেওয়া হয়। বাস সমেত বাঁকুড়ার সেই লোকজনদের রাজ্যে ফেরার ব্যবস্থা করেন সুভাষ সরকার। জেলায় ফেরত ওই সমস্ত তীর্থ যাত্রীদের কোয়ারেনটাইনে রাখার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.