Biomedical waste

PPE,মাস্কের প্রচুর ব্যবহার, করোনা কালে দেশে চিকিৎসা বর্জ্যের পরিমাণ বাড়ল কয়েকগুণ

সবচেয়ে বেশি বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য জমেছে অক্টোবরে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২১, ১৪:৫৮

options
link
PPE,মাস্কের প্রচুর ব্যবহার, করোনা কালে দেশে চিকিৎসা বর্জ্যের পরিমাণ বাড়ল কয়েকগুণ
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের(Corona Virus) প্রকোপে হঠাৎ করেই গত ১০ মাস ধরে বেড়ে গিয়েছে, মাস্ক, পিপিই, গ্লাভস-সহ বেশ কিছু চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার। তাই একদিকে যেমন করোনার বাড়বাড়ন্তে চিকিৎসা পরিষেবা মেলা ভার,  তেমনই অন্যদিকে বাড়ছে এই সংক্রান্ত চিকিৎসা সরঞ্জামের বর্জ্য। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের(Central Pollution Control Board) একটি রিপোর্ট অনুযায়ী গত জুন থেকে ডিসেম্বর অবধি প্রায় ৩৩,০০০ টন বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য (Biomedical Waste) উৎপাদন করেছে ভারত। এর মধ্যে সব চেয়ে বেশি বর্জ্য উৎপাদিত হয়েছে গত অক্টোবর মাসে। সে মাসে প্রায় ৫,৫০০ টন বর্জ্য উৎপাদিত হয় বলে জানানো হয়েছে এই রিপোর্টে। সমস্ত রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের (State Polllution Control Board)কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তারা। 

Advertisement

এই সংখ্যায় সব চেয়ে এগিয়ে রয়েছে মহারাষ্ট্র(Maharashtra)। সারা দেশের মধ্যে সব চেয়ে বেশি কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা সেই রাজ্যে। গত জুন থেকে ৩,৫৮৭ টন বর্জ্য উৎপাদন করেছে মহারাষ্ট্র। সমগ্র রাজ্য মিলিয়ে সেই সংখ্যাটা ৩২, ৯৯৪ টন। দেশের মোট ১৯৮টি বায়োমেডিক্যাল ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট ফেসিলিটি (Biomedical Waste Treatment Facility)-তে এই বর্জ্য নষ্ট করা হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বায়ো মেডিক্যাল বর্জ্যের মধ্যে একদিকে যেমন রয়েছে মাস্ক, পিপিই কিট, গ্লাভস ও জুতোর কভার, তেমনই অন্যদিকে রয়েছে মানব দেহের টিস্যু, তুলো, ড্রেসিং-এর ব্যান্ডেজ-সহ আরও বিভিন্ন সরঞ্জাম। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: আর্থিক কেলেঙ্কারি মামলায় এবার অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডিকে তলব ইডির]

মহারাষ্ট্র ছাড়াও এই তালিকায় একেবারে উপরের দিকে রয়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্য। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের নামও রয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, কেরল, গুজরাট, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, কর্ণাটকেও এই বর্জ্যের পরিমাণ অনেক বেশি। শুধুমাত্র গত ডিসেম্বর মাসেই সারা দেশ জুড়ে প্রায় ৪,৫৩০ টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়েছে বলে এই রিপোর্টে জানানো হয়েছে, যা আদতে পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধি করবে বলে আশঙ্কা পরিবেশবিদদের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভাঙল ৫০ বছরের রেকর্ড, নজিরবিহীন তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত স্পেনে মৃত অন্তত ৪]

গত মার্চ থেকে দেশজুড়ে যখন বাড়তে শুরু করে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা, সেই সময় এই ধরনের বায়ো মেডিকাল বর্জ্যের সঠিক প্রক্রিয়াকরণের জন্য বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। এছাড়াও কোভিড১৯বিডব্লুিউএম (Covid19BWM) নামে একটি মোবাইল অ্যাপও বাজারে আনে তারা। এই অ্যাপের মাধ্যমে, করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত বায়ো মেডিক্যাল বর্জ্যের সঠিক প্রক্রিয়াকরণ হচ্ছে কি না, তার উপর নজর রাখা শুরু হয়। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন