নরেন্দ্র মোদি

“লকডাউনের জন্যই ‘সফল’ ভারত”, প্রবাসী চিকিৎসকদের সমাবেশে দাবি প্রধানমন্ত্রীর

সময়মতো লকডাউনের ফলেই বেঁচেছে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ, দাবি মোদির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২০, ১৬:৪৮

options
link
“লকডাউনের জন্যই ‘সফল’ ভারত”, প্রবাসী চিকিৎসকদের সমাবেশে দাবি প্রধানমন্ত্রীর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং সফল লকডাউন (Lock Down) ভারতকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ে সাহায্য করেছে। প্রবাসী চিকিৎসকদের এক ভারচুয়াল সমাবেশে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারতের তুলনামূলক পরিসংখ্যান প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী দাবি করলেন, ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় দেশে মৃত্যুর হার অনেক কম। সুস্থতার হার বেশি। ভারতের এই সাফল্য মানুষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং লকডাউনের কার্যকারিতা ছাড়া সম্ভব হত না।

Advertisement

শনিবার প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমেরিকায় প্রবাসী ভারতীয় চিকিৎসকদের (American Association of Physicians of Indian Origin) এক ভারচুয়াল সমাবেশে বক্তব্য রাখছিলেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেখানেই তিনি বলেন,”আমেরিকায় যেখানে প্রতি দশ লক্ষে মৃতের সংখ্যা ৩৫০। ব্রিটেন, ফ্রান্স, স্পেনের মতো ইউরোপিয় দেশে প্রতি দশ লক্ষে মৃতের সংখ্যা ৬০০। সেখানে ভারতে প্রতি দশ লক্ষ জনসংখ্যায় মৃত মাত্র ১২ জন। উত্তরপ্রদেশ করোনা রুখতে দুর্দান্ত কাজ করেছে। একইভাবে অন্য বেশ কয়েকটি রাজ্যও খুব ভাল কাজ করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলছেন, “বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশ, যেখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব খুব বেশি, যেখানে জমায়েত করাটা স্বাভাবিক নিয়ম, সেখানে এই সাফল্য মানুষের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব হত না। সময়মতো লকডাউন জারি করার ফলেই দেশে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ বেঁচে গিয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: লাদাখ ইস্যুতে উলটো সুর পওয়ারের! মোদিকে নয়, ৬২’র প্রসঙ্গ তুলে বিঁধলেন রাহুলকেই]

উল্লেখ্য, দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ পেরিয়ে যাওয়া সত্বেও সরকার শুরু থেকেই এই মহামারি মোকাবিলায় সাফল্য দাবি করে আসছে। শনিবারই আরও একটি সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ‘বিশ্বের অনেক মানুষ করোনার প্রভাবে ভারত বিপর্যস্ত হবে বলে ভাবলেও বাস্তবে তা হয়নি। বছরের শুরুতে অনেকেই ভেবেছিলেন ভারতে ভাইরাসের প্রভাব খুবই ভয়াবহ হবে। কিন্তু, লকডাউন, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও দেশের মানুষের লড়াইয়ের কারণে অন্য বহু দেশের থেকে ভারত অনেক ভাল জায়গায় রয়েছে। ভারতে সুস্থতার হার ক্রমশ বাড়ছে।’

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.