কলকাতা মেডিক্যালের মর্গ

দেহ রাখার জায়গা নেই মেডিক্যালের মর্গে, ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে অতিরিক্ত সুপার নিয়োগ

মৃতদেহ সংরক্ষণে বসানো হচ্ছে আরও ৬টি ডিপ ফ্রিজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২০, ১৩:৪৯

options
link
দেহ রাখার জায়গা নেই মেডিক্যালের মর্গে, ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে অতিরিক্ত সুপার নিয়োগ

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: শহরের COVID হাসপাতাল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ। সেখানে করোনা আক্রান্ত রোগী, বিশেষত যাদের শারীরিক অবস্থা একটু গুরুতর, তাঁদের চিকিৎসা হচ্ছে। বাড়ছে মৃত্যুও। মর্গে মৃতদেহ রাখার স্থান সংকুলান ঘটছে। তাই দেহ রাখার জন্য ৬টি ডিপ ফ্রিজ বসানোর কাজ শুরু করল কলকাতা মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ। ফলে বর্তমানের তুলনায় আরও ৬টি দেহ অনায়াসে রাখা সম্ভব হবে। এ নিয়ে সেখানে মোট ১১টি মৃতদেহের জায়গা করা হল বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। আর গোটা বিষয়টির ব্যবস্থাপনায় নিয়োগ করা হচ্ছে একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে।

Advertisement

মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মূলত করোনা রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি অনেকটা করোনার মতো উপসর্গযুক্ত, যেমন SARI (Severe Accute Respiratory Infection) এ আক্রান্তরাও ভরতি হচ্ছেন। সংকটজনক অবস্থায় এখানে ভরতি হওয়ায় অনেককেই বাঁচানো যাচ্ছে না। ফলে খুব কম সময়ের মধ্যে মৃত্যুর হার বাড়ছে। গত তিনদিনে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। অথচ এখানকার মর্গ এবং অ্যানাটমি বিভাগে ৫টি দেহ রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। অন্য মৃতদেহ কোথায় রাখা হবে, তা নিয়ে তীব্র ধন্দে পড়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাই আরও ডিপ ফ্রিজ বসাতে চেয়ে স্বাস্থ্যদপ্তরের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। সূত্রের খবর, সেই আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় কাজ শুরু হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: স্বামীর মুখাগ্নি নিয়ে তুমুল বিবাদ দুই সতীনের, সমস্যা মেটালেন সাংসদ মালা রায়]

হাসপাতালের তরফে জানা গিয়েছে, আরও ছটি ডিপ ফ্রিজ বসানো হলে এই মুহূর্তে মর্গ ও অ্যানাটমি বিভাগে ১১টি মৃতদেহ রাখার মতো ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। এছাড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে হাসপাতালের তরফে। এই মৃতদেহ সংরক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়টির ব্যবস্থাপনায় নিয়োগ করা হচ্ছে একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে। তাঁর মূল দায়িত্ব হবে, মৃত্যুর পর COVID-19 পরীক্ষা করিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া। করোনা পজিটিভ ব্যক্তিদের মৃতদেহ নিয়ম মেনে পুরসভার হাতে তুলে দেওয়া এবং রিপোর্ট নেগেটিভ হলে তাঁদের পরিবারকে মৃতদেহ হস্তান্তর করা। মোট কথা, মৃতদেহ যেন অকারণে মর্গে পড়ে না থাকে, সেই বিষয়টি কড়া নজরে রাখাই ওই অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারভাইজারের কাজ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মেডিক্যাল কলেজের গাছতলায় টানা তিনদিন অভুক্ত বসে করোনা রোগীর স্ত্রী ও মেয়ে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.