পুলিশের মার

ওঠবোস-রাস্তায় গড়াগড়ি…. লকডাউন না মানায় হরেক শাস্তির নিদান পুলিশের

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল পাঞ্জাব পুলিশের কীর্তিকলাপ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২০, ১৭:৩৫

options
link
ওঠবোস-রাস্তায় গড়াগড়ি…. লকডাউন না মানায় হরেক শাস্তির নিদান পুলিশের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ঘরের ‘লক্ষ্মণরেখা’ পার করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা! এখনও বহু মানুষ প্রয়োজন ছাড়াই বাইরে বের হচ্ছেন। আর তাঁদের সামলাতে গিয়ে কখনও লাঠিও চালাচ্ছে পুলিশ। আবার কখনও কান ধরে ওঠবোস করানো হচ্ছে। কোথাও কোথাও আবার ভিন্নধরণের শান্তির ব্যবস্থা করা হয়্ছে। দেশজুড়ে লকডাউনের প্রথমদিনই পাঞ্জাব পুলিশের কীর্তিকলাপ ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। অনেকেই তাঁদের কাণ্ডকারখানা দেখে বলছেন, “বেশ করেছে। এটাই দরকার ছিল।” আবার কেউ কেউ বলছেন, “পুলিশের লজ্জা হওয়া উচিত।” তবে সবমিলিয়ে বুধবার তাঁদের কীর্তিকলাপ নিয়ে সরগরম রইল সোশ্যাল মিডিয়া।

Advertisement

ব্রিটেনের ব্রাম্পটোন শহরের স্থানীয় কাউন্সির গুরপ্রীত সিং ধিলন শিখ ধর্মীলম্বী। এদিন সকালে তিনি টুইটারে কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করেন। যেখানে দেখা যায়, লকডাউন ভেঙে রাস্তায় বের হওয়ায় বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে ওঠবোস করাচ্ছেন পুলিশ কর্তা। আবার কোথাও নিয়ম ভাঙার দরুণ রাস্তায় গড়াগড়ি খেতে বাধ্য করা হচ্ছে। তবে ভিডিওগুলিতে পুলিশকেও নিয়ম ভাঙতে দেখা গিয়েছে। তাঁদের মাস্কের বদলের রুমাল বেঁধে ঘুরে বেড়ানোর ছবিও সামনে এসেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কৌশল, বাজার-দোকানে ‘সুরক্ষারেখা’ টানল পুলিশ]

প্রথম ভিডিওটি পোস্ট করে গুরপ্রীত সিং ধিলন লেখেন, এখন ভারতে নিয়ম ভাঙলে পুলিশ ওঠবোস করাচ্ছে। সঙ্গে বলতে বাধ্য করছেন, ‘আমরা বাড়িতে থাকতে পারি না। আমরা সমাজের শত্রু।’ আরেকটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি বলেন, “মারের ভয় দেখিয়ে পুলিশ আইনভঙ্গকারীদের রাস্তায় গড়াগড়ি খেতে বাধ্য করা হচ্ছে। বিষয়টি পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং একটু দেখুন। পুলিশকে অন্যভাবে কারফিউ কার্যকর করতে বলুন।” একই ছবি সামনে এসেছে বাংলার মালদহেরও। সেখানেও পুলিশ নিয়মভঙ্গকারীদের কান ধরে ওঠবোস করানো হয়। 

[আরও পড়ুন : ৩৬ ঘণ্টায় হাঁটলেন ৮০ কিমি! লকডাউনে রাস্তায় বেরিয়ে গ্রেপ্তার যুবক]

তবে পুলিশের এহেন আচরণের নিন্দায় সরব হয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ। তাঁদের কথায়,অনেকে জরুরি সামগ্রী কিনতে বের হচ্ছেন। বাছবিচার না করে এভাবে মারদৎ ঠিক নয়। তবে পালটা যুক্তিও দিয়েছেন আরেকদল নেটিজেন। তাঁদের কথায়, মানুষ কিছুতেই বুঝতে চাইছেন না। তাই পুলিশকে কড়া হতেই হচ্ছে। এককথায়, দেশজুড়ে লকডাউনের প্রথমদিনই পুলিশের কীর্তিকলাপে সরগরম।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন