গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমেরিকা, ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে নতুন এক ‘অনন্ত’ চুক্তির ঘোষণা করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘প্রতিপক্ষ’-কে দূরে রাখার নিরাপত্তা যুক্তির আড়ালে প্রশ্ন উঠছে নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও পরিবেশ নিয়ে। পূর্ণ চুক্তির পাঠ এখনও প্রকাশ্যে না আসায় ‘অনন্ত’ এই বন্দোবস্তর স্থায়িত্ব নিয়েই তৈরি হচ্ছে সংশয়, প্রশ্ন।
শুক্রবার সমাজমাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করলেন– গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে আমেরিকার একটি নতুন চুক্তি হয়েছে, আর সেই চুক্তির আয়ু নাকি ‘অনন্ত’, তার কোনও শেষ নেই। তাঁর দাবি– আমেরিকা চিরকালের জন্য গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় প্রয়োজনমতো পদক্ষেপ করার ক্ষমতা পাচ্ছে, একটি পয়সাও খরচ না করে, আর আমেরিকার লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনও প্রতিপক্ষ দেশ সেখানে ঘঁাটি, সেনা বা সংবেদনশীল বিনিয়োগ রাখতে পারবে না। আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপুঞ্জে চুক্তি সই হওয়ার কথা, তারপর সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির সংসদের অনুমোদন লাগবে, কিন্তু পূর্ণ পাঠ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। আসলে, চুক্তিটি একটি সংকীর্ণ সমস্যার সমাধান খুঁজছে, অর্থাৎ প্রতিদ্বন্দ্বীদের দূরে রাখা, কিন্তু তা করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ, খরচ আর জলবায়ু নিয়ে তিনটি বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে, যার সদুত্তর ঘোষণায় নেই। আর্কটিক অঞ্চলে বড় শক্তিগুলির প্রতিযোগিতা সত্যিই আছে, তাই নিরাপত্তা নিয়ে আমেরিকার দুশ্চিন্তাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবু যে-চুক্তি চিরকালের কথা বলে, তাকে সমাজমাধ্যমের একটি বার্তার ভরসায় ছেড়ে দেওয়া চলে না।
মার্কিন বিদেশ দফতরের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার কথা অনুযায়ী চুক্তিতে ‘ন্যাটো’-র বাইরের কোনও দেশে, সেনাঘঁাটি বা সেনা রাখা স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ, রাশিয়া ও চিনের বিনিয়োগ ঠেকানোর ব্যবস্থা থাকছে, আর প্রয়োজনে আমেরিকা ঘঁাটির সংখ্যা বাড়াতে পারবে। কিন্তু বিশ্লেষণের প্রথম প্রশ্ন হল, ‘প্রতিপক্ষ’ কথাটার সংজ্ঞা কে ঠিক করবে। ট্রাম্পের বার্তার ভাষায় অনুমতি দেওয়ার বা না-দেওয়ার ক্ষমতা আমেরিকারই, ফলে সংজ্ঞাটাও কার্যত তার হাতে। আজ যে দেশ বন্ধু, ভবিষ্যতে সে প্রতিপক্ষের তালিকায় উঠবে না, তার নিশ্চয়তা নেই, আর ‘সংবেদনশীল বিনিয়োগ’ কাকে বলে– সেও স্পষ্ট নয়।
দ্বিতীয় প্রশ্ন হল, এই নথির আইনি মর্যাদা কী, অর্থাৎ তা কতটা বাধ্যতামূলক আর ভবিষ্যতের সরকার তাকে কতটা বদলাতে পারে। একটি ধরনও চোখে পড়ে। এই জানুয়ারিতে ডাভোসে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে ট্রাম্পের একটি কথিত সমঝোতার খবর এসেছিল, যার শর্ত এখনও অস্পষ্ট। এবারও ঘোষণা আগে এল, খুঁটিনাটি পরে আসবে বলে ধরে নিতে হচ্ছে, আর এই ধরনের চুক্তিতে সবচেয়ে জরুরি প্রশ্নগুলি সাধারণত ফঁাকা জায়গাগুলিতেই লুকিয়ে থাকে।
এই চুক্তির সমর্থকদের যুক্তিও গুরুত্ব দিয়ে শোনা দরকার। তাঁরা বলবেন, গ্রিনল্যান্ড দখলের যে-হুমকি মাসের পর মাস ঘুরছিল, এই চুক্তিতে অন্তত তা থেকে সরে আসা হয়েছে, কারণ দ্বীপটি ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বের মধ্যেই থাকছে আর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারও স্বীকৃত হয়েছে বলে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন জানিয়েছেন। গ্রিনল্যান্ডের সরকারপ্রধান ইয়েন্স ফ্রেডেরিক নিলসেন-ও বলেছেন, চুক্তিতে গ্রিনল্যান্ডের স্বার্থ স্বীকৃতি পেয়েছে। রাশিয়া ও চিনকে দূরে রাখার লক্ষ্যে ডেনমার্ক-সহ ইউরোপের অনেক দেশ
মূলত একমত।
এ যুক্তির জোর আছে, কিন্তু তার একটা সীমাও আছে, কারণ ‘স্বীকৃতি’ আর ‘অধিকার’ এক নয়। বিবৃতিতে স্বার্থের কথা থাকা এক ব্যাপার, আর চুক্তির পাঠে সেই স্বার্থরক্ষার বাধ্যতামূলক ধারা থাকা আর-এক ব্যাপার। পাঠ প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আমরা জানি না– দুটোর মধ্যে কোনটা সত্যি।
ইতিহাস এখানে একটু সতর্ক করে। ১৯০৩ সালের চুক্তিতে চিরস্থায়ী অধিকার পাওয়া পানামা খাল অঞ্চল শেষ পর্যন্ত ১৯৯৯ সালে পানামার হাতে ফিরে গিয়েছিল, দীর্ঘ অসন্তোষ আর দর কষাকষির পর। কিউবার গুয়ান্তানামো ঘঁাটির ইজারার কোনও নির্দিষ্ট শেষ তারিখ নেই, আর কিউবা সেই ব্যবস্থাকে এখনও অন্যায্য বলে মনে করে। ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়ায় ঘঁাটি গড়তে চাগোস দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করা হয়েছিল, আর সেই ক্ষত দক্ষিণ এশিয়ার পাঠকের কাছেও অচেনা নয়। এই তিনটি উদাহরণ থেকে একটি সাধারণ সূত্র বেরিয়ে আসে।
অসম ক্ষমতার দুই পক্ষের মধ্যে ‘স্থায়ী’ ব্যবস্থা টেকে– যত দিন ক্ষমতার ভারসাম্য একই থাকে, কিন্তু ভারসাম্য বদলালেই সেই ব্যবস্থা নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়ে, আর তার আগে বছরের পর বছর জমতে থাকে ক্ষোভ। টেকসই নিরাপত্তা তাই স্থায়িত্বের ঘোষণায় আসে না, আসে সম্মতিতে। ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে আমেরিকার হাতে এমনিতেই অনেক অধিকার আছে, তাই ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ কথাটার অতিরিক্ত অর্থ কী, সেটাই এই চুক্তির সবচেয়ে বড় ব্যাখ্যাহীন জায়গা। আর কোনও সংসদই ভবিষ্যতের সংসদকে চিরকালের জন্য বেঁধে দিতে পারে না, তাই ‘অনন্ত’ শব্দটা আইনের ভাষা নয়, স্লোগান।
জোট রাজনীতির দিক থেকেও প্রশ্ন আছে। গ্রিনল্যান্ড ‘ন্যাটো’-র নিরাপত্তা ছাতার মধ্যেই পড়ে, অথচ এই চুক্তি হয়েছে মূলত ত্রিপাক্ষিক পথে, আর ঘোষণাটা এসেছে আমেরিকার রাষ্ট্রপতির নিজস্ব সমাজমাধ্যম থেকে। এতে ইউরোপের কাছে বার্তা যায় যে, বড় সিদ্ধান্ত আগে ঘোষণা হয়, আলোচনা পরে, আর মিত্রদের সেটা মেনে নিতে হয়। এর একটি কূটনৈতিক মূল্যও আছে। রাশিয়া বা চিনের মতো দেশ সহজেই বলতে পারবে, যেসব পশ্চিমি দেশ অন্যের ভূখণ্ডে হস্তক্ষেপ নিয়ে নীতিকথা শোনায়, তারা স্বয়ং ছোট দেশের উপর চাপ দিয়ে চুক্তি করছে। ভারতের মতো যে-দেশ কৌশলগত স্বাধীনতার কথা বলে, তার কাছে এর শিক্ষা পরিষ্কার। বড় শক্তির ছাতা যত আরামদায়কই হোক, তার শর্ত কে লিখছে, সেটাই আসল প্রশ্ন।
অর্থনীতির বিশ্লেষণ শুরু করা যায় ‘আমেরিকার কোনও খরচ নেই’ দাবিটা দিয়ে। ঘঁাটির চুক্তিতে সাধারণত খরচ, ভাড়া, কাজের সুযোগ আর ক্ষতিপূরণের হিসাব থাকে, তাই ‘কোনও খরচ নেই’ কথাটার মানে হয় আমেরিকা ঘঁাটি গড়ার খরচ অন্য কাউকে বইতে বলছে, নয়তো গ্রিনল্যান্ড এমন কিছু ছাড়ছে– যার দাম টাকায় ধরা হয়নি, যেমন সিদ্ধান্তের স্বাধীনতা। মেরু অঞ্চলে নির্মাণের কাজ কঠিন, কারণ কাজের মরশুম ছোট, জিনিসপত্র পৌঁছানো ব্যয়সাপেক্ষ আর আবহাওয়া নিষ্ঠুর, তাই বিশাল সামরিক উপস্থিতির প্রকৃত খরচ বিপুল হবে। সেই খরচ কে বইবে, তার হিসাব এখনও জানা নেই।
বিনিয়োগ যাচাইয়ের ব্যবস্থাটা আরও সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ চায়। সংবেদনশীল ক্ষেত্রে চিনা বা রুশ পুঁজি ঠেকানোর যুক্তি অযৌক্তিক নয়, কিন্তু অর্থনীতির নিয়মে ক্রেতা বা বিনিয়োগকারী কমে গেলে বিক্রেতার দর কষাকষির ক্ষমতাও কমে। গ্রিনল্যান্ডের অর্থনীতি মূলত মাছ ধরা আর ডেনমার্কের অনুদানের উপর দঁাড়িয়ে, অথচ তার মাটির নিচের খনিজ সম্পদের দিকে এখন সমগ্র বিশ্বের নজর। বন্দর, বিমানবন্দর আর খনির টাকা কোন দেশ থেকে আসবে, সেই সিদ্ধান্তে যদি আমেরিকার লিখিত ছাড়পত্র লাগে, তাহলে গ্রিনল্যান্ড কার্যত একটি নির্দিষ্ট ক্রেতার বাজারে পড়ে যেতে পারে, এক অভিভাবক ছেড়ে আর-একজন অভিভাবকের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারে। নির্মাণের কাজে কিছু চাকরি আর পরিকাঠামো আসবে, সেটা সত্যি, কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে সামরিক নির্মাণের জোয়ার থেমে গেলে এলাকাগুলো প্রায়ই অসহায় হয়ে পড়ে। তাই গ্রিনল্যান্ডের দাবি হওয়া উচিত স্থানীয় মানুষের কাজ, খনিজ আয়ের ন্যায্য ভাগ আর স্থানীয় মালিকানার নিশ্চয়তা, শুধু ঘঁাটির বিনিময়ে প্রতিশ্রুতি নয়।
পরিবেশের বিশ্লেষণ শুরু হতে পারে ভাষা থেকে, কারণ ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে বলেছেন ‘বিশাল ও অত্যন্ত কৌশলগত একটুকরো জমি’। এই ভাষায় একটা সমগ্র দ্বীপ ভূসম্পত্তি হয়ে ওঠে, আর সেখানকার মানুষ, প্রাণী, বরফ আর জলপথ যেন আলোচনার বাইরে চলে যায়। উপনিবেশের ইতিহাস যঁারা পড়েছেন, তঁারা চেনেন এই বাক্যবন্ধ, যেখানে ভূখণ্ড হল মানচিত্রর উপর একটা কৌশলগত বিন্দু, আর বাসিন্দারা কেবল বাধা বা সুবিধা। ‘অনন্ত আয়ু’ কথাটার মধ্যেও সময়ের ধারণা লুকিয়ে আছে। রাজনীতির সময় মাপা হয় নির্বাচনে আর মেয়াদে, তাই ‘চিরস্থায়ী চুক্তি’-র প্রতিশ্রুতি শুনতে জোরালো লাগে। কিন্তু প্রকৃতির সময় অন্যরকম, আর গ্রিনল্যান্ডের বরফ আমাদের চোখের সামনে সেই সময়ের পরিবর্তন দেখাচ্ছে। একটি চুক্তি অনন্ত আয়ুর দাবি করছে এমন একটি ভূমির উপর, যার ভৌত চেহারাই আগামী কয়েক দশকে বদলে যেতে পারে।
এই পরিবর্তনের ফল আমাদের ঘরের দরজাতেও এসে পৌঁছয়। গ্রিনল্যান্ডের বরফ যত গলে, সমুদ্রের জলস্তর তত বাড়ে, আর ঝুঁকিতে থাকা উপকূলগুলির মধ্যে সুন্দরবন ও গাঙ্গেয় বদ্বীপ অন্যতম। যে উষ্ণায়ন জাহাজ চলাচলের নতুন পথ আর খনিজ সম্পদের নাগাল খুলে দিয়ে গ্রিনল্যান্ডকে ‘কৌশলগত’ করে তুলেছে, সেটাই আবার বাংলার উপকূলের গ্রামগুলিকে বিপদে ফেলছে। জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্ন এখানেই, যারা সবচেয়ে কম দূষণ ঘটায়, তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে। এর উপর যোগ হবে সামরিক উপস্থিতির নিজস্ব চাপ। জমাট মাটির উপর সড়ক, জ্বালানি ভাণ্ডার, বন্দর আর রানওয়ে তৈরি হলে ইতিমধ্যেই টালমাটাল পরিবেশ আরও চাপে পড়বে, আর সামরিক কর্মকাণ্ড নিজেই বড় মাত্রায় কার্বন নির্গমনের উৎস। ‘ঠান্ডা যুদ্ধ’-র সময়ের মার্কিন ঘঁাটির বর্জ্য নিয়ে বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ এখনও মেটেনি, বরফ পাতলা হলে সেই উদ্বেগ আরও বাড়ে। আর যে ইনুইট সম্প্রদায় এই মাটিতে মাছ ধরে, শিকার করে, পথ চলে, সেখানে কী তৈরি হবে– সে বিষয়ে কথা বলার অধিকার তাদেরই সবচেয়ে বেশি, অথচ ঘঁাটি আর বিনিয়োগকারীদের কথায় সাজানো এই চুক্তিতে সেই অধিকারের কোনও প্রতিশ্রুতি চোখে পড়ে না।
তাহলে এই চুক্তিকে কোন কষ্টিপাথরে যাচাই করা যায়? প্রথমত, পূর্ণ পাঠ প্রকাশ্যে আসতে হবে, কারণ গোপন শর্তের উপর ‘অনন্ত’ চুক্তি চলতে পারে না। দ্বিতীয়ত, ‘প্রতিপক্ষ’ আর ‘সংবেদনশীল বিনিয়োগ’ শব্দের সংজ্ঞা লিখিত হওয়া দরকার। তৃতীয়ত, ঘঁাটি বা নির্মাণের প্রতিটি ধাপে গ্রিনল্যান্ডের মানুষের স্পষ্ট সম্মতির ব্যবস্থা থাকতে হবে। চতুর্থত, নির্মাণের আগে স্বাধীন পরিবেশ সমীক্ষা আর ইনুইট সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনা বাধ্যতামূলক হওয়া চাই। পঞ্চমত, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে সবকিছু নতুন করে ভেবে দেখতে পারে, সেজন্য পুনর্বিবেচনার একটি ধারা রাখা উচিত। আর এই পঁাচটির কোনওটাই ঘোষণা করে সম্ভব নয়, তা হবে আলোচনা আর স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে। আর্কটিকের প্রকৃত নিরাপত্তা দঁাড়িয়ে আছে মিত্রদের পারস্পরিক বিশ্বাস ও একটি স্থিতিশীল জলবায়ুর উপর– এবং এই দু’টির কোনওটিই একটি বার্তা লিখে তৈরি করা যায় না। চুক্তি অনন্ত আয়ুসম্পন্ন বলে দাবি করা যেতে পারে, কিন্তু যে বরফের উপর সে দঁাড়িয়ে আছে, তার আয়ু অনন্ত নয়।
সর্বশেষ খবর
-
জিমন্যাস্টিক্সে ফাইনালে প্রণতি নায়েক, অব্যবস্থার শিকার, একার লড়াইয়েও চমক বঙ্গকন্যার
-
সাংসদ যেন কৃষক! নিজের বাড়িতে করম পুজোয় মাতলেন জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো
-
‘বন্ধুত্বে’র প্রতিদান! মুকুন্দপুরে মমতাপন্থীদের ‘আক্রান্ত’ হওয়ার প্রতিবাদ কংগ্রেসের, সুগম জোটের পথ?
-
চৈতন্য ও সুলক্ষণা, ২ হস্তিশাবকের নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন এই নাম? জানালেন নিজেই
-
এবিভিপি-টিএমসিপি সংঘর্ষের জের! ১ মাস বন্ধ বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল! বেরিয়ে গেলেন ছাত্ররা