চিঠির পালটা চিঠি, অসহিষ্ণুতা ইস্যুতে এবার মোদির পাশে কঙ্গনা-প্রসূনরা

চিঠিতে শ্যাম বেনেগাল, গৌতম ঘোষদের ‘স্বঘোষিত অভিভাবক’ বলে কটাক্ষ৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৯, ১৫:৩১

options
link
চিঠির পালটা চিঠি, অসহিষ্ণুতা ইস্যুতে এবার মোদির পাশে কঙ্গনা-প্রসূনরা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই অসহিষ্ণুতার ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছিলেন ভারতের ৪৯ জন বিদ্বজ্জন৷ প্রধানমন্ত্রীকে লেখা খোলা চিঠিতে গণপিটুনির মতো ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন তাঁরা৷ যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল দেশজুড়ে৷ এবার যার পালটা চিঠি দিলেন সরকারপন্থী ৬১ জন বিদ্বজ্জন৷ আগের খোলা চিঠির বিরোধিতা করে সরকারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন তাঁরা৷ পালটা চিঠিতে তাঁরা সাফ জানালেন, দেশের একতা ও সার্বভৌমত্ব নষ্ট করার জন্যই এই ধরনের চিঠি লিখেছেন দেশের কয়েকজন ‘স্বঘোষিত অভিভাবক’৷ আন্তর্জাতিক মহলে সরকারের ভাবমূর্তি খারাপ করার উদ্দেশে কাজ করছেন দেশের বিশিষ্টদের একাংশ৷

Advertisement

[ আরও পড়ুন: হোটেলে মহার্ঘ কলা, রাহুল বোসের ভিডিও দেখে বসল তদন্ত কমিশন! ]

Advertisement

জানা গিয়েছে, সরকারের পক্ষে লেখা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত, অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, পরিচালক মধুর ভাণ্ডারকর, বিবেক অগ্নিহোত্রী, লেখক ও গীতিকার প্রসূন যোশী, নৃত্যশিল্পী সোনাল মানসিং, পণ্ডিত বিশ্বমোহন ভট্টর-মতো ৬১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি৷ বাংলা থেকে তালিকায় নাম রয়েছে অভিনেত্রী পার্নো মিত্র, কাঞ্চনা মৈত্র, পরিচালক মিলন ভৌমিক প্রমুখের৷ চিঠিতে তাঁরা লিখেছেন, দেশের কয়েকটি ঘটনাকে উল্লেখ করে, খোলা চিঠিতে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ৪৯ জন বিদ্বজ্জন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা৷ দেশ, তথা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই এই চেষ্টা৷ সূত্রের খবর, এই চিঠিতে ১২টি হিংসার ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যে ঘটনাগুলির বিরুদ্ধে অপর্ণা সেন, কৌশিক সেন, শ্যাম বেনেগালরা মুখ খোলেননি বলে অভিযোগ। চিঠিতে পুরুলিয়ায় বিজেপি কর্মীকে খুনের ঘটনা থেকে শুরু করে ইসলামপুরের দাড়িভিট কাণ্ড, সমস্ত ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে৷ প্রশ্ন করা হয়েছে, এই সমস্ত ঘটনার সময় কোথায় ছিলেন অপর্ণা সেনরা? তখন কেন চুপ ছিলেন তাঁরা?

Advertisement

[ আরও পড়ুন: এই স্বল্পবসনা ষোড়শীকেই ডেট করছেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান? ]

কেন্দ্রের পাশে দাঁড়িয়ে চিঠিতে ৬১ জন বিদ্বজ্জন আরও অভিযোগ করেছেন যে, ‘‘মাওবাদী হামলায় যখন মানুষের মৃত্যু হয়েছে, সিআরপিএফ জওয়ানদের প্রাণ গিয়েছে, তখন বিদ্বজ্জনরা চুপ থেকেছেন৷ সন্ত্রাসবাদী হানায় কাশ্মীরে যখন রক্ত ঝড়ছে, তখন তাঁরা মুখ খোলেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন দেশবিরোধী স্লোগান উঠেছে তখনও তাঁদের বলতে শোনা যায়নি৷’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.