সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলেছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তায়িপ এর্দোগান। বলেছিলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় কাশ্মীর ইস্যু-সহ সমস্ত সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত।” এবার তাঁর এই মন্তব্য খারিজ করে দিয়ে কড়া জবাব দিল নয়াদিল্লি।
মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল একটি বিবৃতি জারি করেন। সেখানে তিনি বলেন, “আপনারা নিশ্চয়ই তুরস্কের প্রেসিডেন্টের মন্তব্য শুনেছেন। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে তিনি ভারত এবং ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে যে অনভিপ্রেত প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন, তা নয়াদিল্লি প্রত্যাখ্যান করছে।” তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি ভারতের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ বিষয়ে কোনও বহিরাগত কোনও পক্ষের হস্তক্ষেপের অধিকার নেই।” একইসঙ্গে এর্দোগানের এই মন্তব্যকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলেও আখ্যা দিয়েছে নয়াদিল্লি।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালেও রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করেছিলেন এর্দোগান। শুধু তাই নয়, ভারতের ভর্ৎসনার মুখেও পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু ফের তাঁকে একই বক্তব্য রাখতে দেখা যায়, যা বুঝিয়ে দিয়েছে আগের ‘ভুল’ থেকে কোনও শিক্ষাই নেননি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান ও তুরস্কের সম্পর্ক ঐতিহাসিক এবং অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হওয়ার পরই তুরস্ক তাদের স্বীকৃতি দেয়। সাহায্য করে পাকিস্তানকে রাষ্ট্রসংঘের সদস্যপদ পেতে। সেই বন্ধুত্ব এখনও অটুট। ভারত যেখানে পাকিস্তানকে বারবারই বলেছে, কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে তারা কথা বলবে না। কেননা তা দিল্লির অভ্যন্তরীন বিষয়। তবু পাকিস্তান ব্যর্থ চেষ্টা করেই গিয়েছে। এবার ‘বন্ধু’র পাশে দাঁড়াল তুরস্কও। বুঝিয়ে দিল, যাবতীয় ভর্ৎসনার পরও তারা ‘সন্ত্রাসবন্ধু’ পাকিস্তানের পাশেই থাকছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘স্ট্যান্ডিং কমিটির শীর্ষে কেন বিদ্রোহী সাংসদ?’ কাকলিতে আপত্তি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের
-
কেন কালীঘাট এলাকার একাধিক ব্যক্তির নামে সিম তুলেছিলেন সুমিত? নেপথ্যে বড় লেনদেন! তদন্তে পুলিশ
-
মেসি-ম্যাচে বঞ্চিত দর্শকদের শুভেন্দুর উপহার, উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার টিকিট মিলবে বিনামূল্যে
-
ভারতের লড়াইকে ‘বাহবা’ দিলেন ব্রাজিল কোচ, হেরে খালিদ দুষলেন মনঃসংযোগের অভাবকে
-
‘লেনিন, মার্কস, হো চি মিন, এরা কারা?’ রাস্তার নাম বদল নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী