সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ করেন না অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে একথা কারওরই অজানা নয়। শুটিংয়ে পৌঁছনও একেবারে নির্ধারিত সময়ে। খিলাড়ির শুটিং শিডিউল একেবারে টাইট। আর আট ঘণ্টার বেশি এক মিনিটও সেটে থাকেন না অভিনেতা। কিন্তু তার জন্য কাজের কখনও ক্ষতি করেননি অক্ষয়। সম্প্রতি ‘বড়ে মিঞা ছোটে মিঞা’র শুটিং শেষ করেছেন অভিনেতা। আর সেই সিনেমার জন্যই তিনি যা করলেন তাতে কুর্নিশ জানিয়েছেন কোরিগ্রাফার বসকো মার্টিন।
জর্ডনে তখন হাড়কাঁপানো ঠান্ডা। তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। এদিকে অক্ষয়ের ধুম জ্বর। কিন্তু তাতেও কাজ থামাননি খিলাড়ি। বরং জ্বর গায়েই ৪ ডিগ্রি ঠান্ডার মধ্যে নাচের দৃশ্যের শুটিং শেষ করেছেন। যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্যাক আপ করতে পারেন অক্ষয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বসকো জানিয়েছেন, জর্ডনে ‘বড়ে মিঞা ছোটে মিঞা’ ছবির গানের দৃশ্যে শুটিংয়ের সময় অক্ষয় কুমারের গায়ে ১০২ জ্বর ছিল।
[আরও পড়ুন: বাংলা সিনেমার ভালো হোক, আলো হোক, ‘বনবিবি’র হাত ধরেই শুরু হল ‘দুয়ারে সিনেমা’ আন্দোলন]
বসকোর কথায়, “যে ৮ ঘণ্টা অক্ষয় শুটি করেন, সেসময়ে এক মিনিটের জন্যও সেট ছেড়ে অন্য কোথাও বের হন না। জর্ডনে শুটিংয়ের সময়ে ওঁর শরীর ভালো ছিল না। অক্ষয় আগে থেকে নাচ প্র্যাকটিসও করেননি। তবে গায়ে ১০২ জ্বর নিয়েই নাচের দৃশ্য শুট করছে। কোনও বিরতিও নেননি তখন। ওই ৪ ডিগ্রি ঠান্ডার মধ্যে পরপর ৪টি গানের শুট করেছিলাম আমরা। হাড়কাঁপানো ঠান্ডা হাওয়া বইছিল। তাই ডান্সারদের প্রতি বিশেষ যত্নও নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু অক্ষয় স্যরের জ্বর হলেও সেখানেই বসেছিলেন। ইস্পাতের মানুষ একেবারে।”
[আরও পড়ুন: নতুনদের সুযোগ না দিলে ইন্ডাস্ট্রি এগোবে কী করে!: ইমন চক্রবর্তী]
সর্বশেষ খবর
-
‘কালো হিরে’র হ্যাটট্রিকে স্বমহিমায় ফরাসি বিপ্লব, নরওয়েকে গোলের মালা ফ্রান্সের
-
কন্ডোম-খাট-বালিশ, বিধাননগরে তৃণমূলের ওয়ার্ড অফিস যেন হোটেল! দেখে হতবাক স্বাস্থ্যমন্ত্রী
-
‘কী করে ওকে বলব…?’ ভূমিকম্পে মেয়ের প্রাণ বাঁচিয়ে মৃত স্ত্রী, ভেঙে পড়লেন ভেনেজুয়েলার ফুটবলার
-
‘মুসলমানদের নিয়ে স্যাটাভাঙা মার’! জনসভায় বেনজির হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের
-
সন্তানের কান্নায় অতিষ্ঠ, ধারালো অস্ত্রের কোপে ৬ মাসের শিশুকন্যাকে গলা কেটে খুন মা’র!