Purbasthali

সংস্কৃত ভাষায় রামায়ণ-মহাভারত পড়বেন কীভাবে? শাস্ত্রচর্চা ফেরাতে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ভারত সেবাশ্রম সংঘের

সংস্কৃত চর্চা ফিরিয়ে আনতে নবদ্বীপ সংলগ্ন পূর্বস্থলী ১ ব্লকের সাহাপাড়ায় এবার ভারত সেবাশ্রম সংঘের উদ্যোগে শাস্ত্র প্রশিক্ষণ দেবেন নামকরা পণ্ডিতরা।

অভিষেক চৌধুরী
অভিষেক চৌধুরী

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২৬, ১২:৪৪

options
link
সংস্কৃত ভাষায় রামায়ণ-মহাভারত পড়বেন কীভাবে? শাস্ত্রচর্চা ফেরাতে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ভারত সেবাশ্রম সংঘের
কালনায় সংস্কৃত চর্চা ফেরাতে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ভারত সেবাশ্রমের। নিজস্ব ছবি

বেদ, বেদান্ত-সহ বিভিন্ন শাস্ত্র ও রামায়ণ, মহাভারতের মত মহাকাব্য প্রশিক্ষণ শুরু হতে চলেছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। ছোটদের নৈতিক চরিত্র গঠন ও আধ্যাত্মিকতায় উদ্বুদ্ধ করার উদ্দেশে ঘরে-ঘরে একসময় বিভিন্ন শাস্ত্র, রামায়ণ, মহাভারতের মতো মহাকাব্য পাঠ করা হতো। কিন্তু যুগের সঙ্গে সঙ্গে সেই চর্চা ক্রমশ ফিকে হয়ে গিয়েছে। বর্তমান আর এসব দেখাই যায় না। সেসব শাস্ত্র, মহাকাব্য কীভাবে পাঠ করতে হয়, তার কী প্রভাব পড়ে, বর্তমান যুব সমাজের কাছে তা অজানা। সেই চর্চা ফিরিয়ে আনতে নবদ্বীপ সংলগ্ন পূর্বস্থলী ১ ব্লকের জাহান্নগর সাহাপাড়ায় এবার ভারত সেবাশ্রম সংঘের উদ্যোগে ‘স্বামী প্রণবানন্দ গুরুকুল পাঠশালা’-য় শাস্ত্রপাঠের প্রশিক্ষণ দেবেন নামকরা পণ্ডিতরা।

Advertisement

যে কোনও বয়সেই হোক না কেন, ইচ্ছা থাকলেই নেওয়া যাবে প্রশিক্ষণ। শুক্রবার সেই পাঠশালার শিলান্যাস করেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। উপস্থিত ছিলেন নবদ্বীপের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংঘের অধ্যক্ষ স্বামী সৌরভানন্দ মহারাজ, পূর্ব বর্ধমানের প্রচারক স্বামী দিব্যজ্ঞানানন্দ (নিতাই) মহারাজ, এলাকার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। স্বামী দিব্যজ্ঞানানন্দ মহারাজের কথায়, “ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা যুগাচার্য স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের সন্ন্যাস দীক্ষার শতবর্ষ স্মরণে ‘স্বামী প্রণবানন্দ গুরুকুল পাঠশালা’ তৈরি করা হবে। যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি যুবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। তাঁর অবদান অপরিসীম। যুবসমাজের নৈতিক চরিত্রগঠনে, আধ্যাত্মিকতায় উদ্বুদ্ধ করতে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রচার প্রসারেই এই উদ্যোগ।”

Advertisement
শুক্রবার সেই পাঠশালার শিলান্যাস করেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। নিজস্ব ছবি

এছাড়াও তিনি জানান, নবদ্বীপে যে নয়টি দ্বীপ রয়েছে, পদব্রজে পরিক্রমা করার জন্য লক্ষ লক্ষ ভক্ত এসময় জাহান্নগরের উপর দিয়ে যান। সংঘের প্রধান সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দজির অনুপ্রেরণায় হাজার-হাজার সেসব ভক্তদের সেবাকার্যের আয়োজন করা হয়েছে। গত চারদিন ধরে খিচুড়ি, শরবত, সুজি, সাগু, লুচি, লাড্ডু, ফলমূলের মত খাবার তুলে দেওয়া হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত পাঁচ হাজার জনকে তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রায় ১০০ দুস্থ ভক্তকে চাল, ডাল, সুজি, ময়দার মত বিভিন্ন রেশন সামগ্রীও বিলি করা হয়েছে। মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে দোল পূর্ণিমা পর্যন্ত ভক্তদের এই সেবাকর্ম চলবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.