২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন আজমেরী হক বাঁধন। হাসিনা পতনের পর সেই অস্থির সময় পেরিয়ে অবশেষে বাংলাদেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিপক্ষ তথা মৌলবাদের জনক জামাতকে পিছনে ফেলে ‘মসনদে’ বিএনপি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন জিয়াউর-খালেদা পুত্র তারেক রহমান। আর সেই প্রেক্ষিতেই নতুন করে ‘গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ’-এর স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন অভিনেত্রী বাঁধন। শুধু তাই নয়, ভারতের সঙ্গেও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক ‘ফিরবে’ বলেও আশাবাদী অভিনেত্রী।
আরও পড়ুন:
“অবশ্যই এটা আমার জন্য বড় শান্তি যে বাংলাদেশে এমন কোনও দল ক্ষমতায় আসেনি, যারা নারীবিদ্বেষী। যারা আদতে কোনওদিন চায়নি বাংলাদেশ স্বাধীন হোক। তারা (জামাত) ক্ষমতায় এলে বিষয়টা দুঃখজনক হত। কিন্তু যারা ক্ষমতায় এলেন তাদের বিরুদ্ধেও অতীতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে…।”
বাংলাদেশে সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য ইউনুস সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজমেরী হকের মন্তব্য, “ডক্টর মহম্মদ ইউনুস এবং তাঁর অধীনস্থ সরকার তথা বাংলাদেশের সেনাবাহিনির কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ যে বাংলাদেশে একটা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠ নির্বাচন হয়েছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে গিয়েছেন। জয়ী দল বিনএনপিকে অনেক শুভেচ্ছা। জামাত ইসলামের যারা জয়ী হয়েছেন, তাঁদেরও শুভেচ্ছা। যদিও সকলের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতাদর্শ মেলে না, তবে জয়ীদের অভিনন্দন। যারা জিততে পারেননি, তাদেরও শুভকামনা। কারণ জয়-পরাজয় ভুলে এখন সবথেকে বড় দায়িত্ব বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সকলকে জোট বেঁধে দেশের উন্নতিসাধনের কাজে নামতে হবে। দেশের কর্তব্যপরায়ণ নাগরিক হিসেবে এই দায়িত্ব আমজনতার ক্ষেত্রেও বর্তায়। সরকারের পাশে থাকতে হবে।” বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে সুষ্ঠ গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখছেন অভিনেত্রী।

এপ্রসঙ্গে বাঁধনের মন্তব্য, “আমি একটা সাম্যের বাংলাদেশ দেখতে চাই যেখানে ধর্মনিরপেক্ষতা থাকবে। যেখানে আইনশৃঙ্খলা সবার জন্য সমান হবে। যেখানে ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলে সমানাধিকার পাবেন। এবং প্রতিটা নাগরিক যেন তাঁর মৌলিক অধিকার পান। এবং অবশ্যই এটা আমার জন্য বড় শান্তি যে বাংলাদেশে এমন কোনও দল ক্ষমতায় আসেনি, যারা নারীবিদ্বেষী। যারা আদতে কোনওদিন চায়নি বাংলাদেশ স্বাধীন হোক। তারা (জামাত) ক্ষমতায় এলে আমার জন্য ব্যক্তিগতভাবে সেটা দুঃখজনক হত। কিন্তু যারা ক্ষমতায় এলেন তাদের বিরুদ্ধেও অতীতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু তৎসত্ত্বেও মতাদর্শগতভাবে আমি কিছুক্ষেত্রে বিএনপি’র সঙ্গে একমত। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ সুষ্ঠ গণতান্ত্রিক উপায়ে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের সমস্ত নাগরিককে অভিনন্দন এবং ভালোবাসা।” পাশাপাশি তারককে শুভেচ্ছা জানানোয় নরেন্দ্র মোদির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতেও ভুললেন না অভিনেত্রী।
বাঁধনের মন্তব্য, “আমার খুব ভালো লাগল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিজি তারেক রহমান জয়ী হওয়ার পর তাঁকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবং আমরা যেহেতু প্রতিবেশী দেশ, সেক্ষেত্রে আমাদের মিলেমিশে থাকতে হবে। এবং আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কটা আবারও পুনরায় ফিরবে বলে আমি আশাবাদী।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ব্যবসায়িক স্বার্থেই বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক! বিরক্ত স্কালোনি-টুখেলরা, বিতর্কে মুখ খুলল ফিফা
-
রণবীর না আলিয়া, বাড়ির ‘আলফা-অ্যানিম্যাল’ কে? অবিশ্বাস্য উত্তর কাপুরবধূর!
-
চরমে কুসংস্কার, মেসি-ভোজিনহা দ্বৈরথে শিরোনামে বিখ্যাত মূর্তি, দলকে জেতাতে এ কী করছেন ভক্তরা!
-
‘উনি দাঙ্গা থেকে বাঁচিয়েছেন’, অপরূপার ধৃত স্বামীকে পুলিশ ভ্যানে তুলতেই রিষড়ায় জনবিক্ষোভ
-
‘ডিম ছোড়ার সংস্কৃতি চললে দেশের সামনে চুনকালি পড়বে’, ফের কর্মীদের সতর্কবার্তা শমীকের