সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় আছে, শেষ ভালো যার সব ভালো তাঁর। আর তাই তো বছর শেষের দিন, আমরা সবাই যখন ফেলা আসা বছরকে নতুন করে দেখি, তখন ভালো-মন্দ সবটাই স্পষ্ট হয়ে আসে। নিজেদের ভুল থেকে যেমন শিক্ষা নিই। তেমনই চিনে নিই মুখোশ পরা মানুষদের, যাঁদের জন্য হয়তো কিছুটা হলেও সমস্যা এসেছিল ফেলা আসা বছরে। মালাইকা অরোরার কাছেও ব্যাপারটা এমনই। ২০২৪ তাঁর কাছে ছিল খুবই কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং। একদিকে তিনি বাবাকে হারিয়েছেন, অন্যদিকে অর্জুন কাপুরের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙেছে। এমনিতে পাপারাজ্জিদের সামনে হাসিখুশি থাকলেও, মালাইকা যে খুব একটা মন থেকে ভালো ছিলেন না, তার ইঙ্গিত পাওয়া গেল বছর শেষে পোস্টেই। ইনস্টাগ্রামে ফেলা আসা গোটা বছরের হিসেবই যেন তুলে ধরলেন মালাইকা। সঙ্গে সামনে রাখলেন, জীবন বাঁচার নতুন সহজপাঠ।
নতুন পোস্টে কী লিখলেন মালাইকা?
মালাইকা ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন। যেখানে তিনি লিখলেন, ”২০২৪, আমি তোমাকে ঘেন্না করি না। কিন্তু আমার জন্য খুব কঠিন হয়ে উঠেছিলে তুমি। বহু ওঠা-নামা দেখেছি এই বছরে। বহু পরিবর্তনও এসেছে। অনেক কিছু শিখেছিও। চোখের পলকে জীবন বদলে যেতে দেখেছি। ২০২৪, তুমিই শিখিয়েছ, নিজের উপর বিশ্বাস রাখা কতটা জরুরি। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার আশা করি, তুমি এমন শিক্ষা দিয়েছো। যা আমাকে বুঝতে পারব যা ঘটেছে, তার নেপথ্যে থাকার আসল কারণগুলো। ”
প্রসঙ্গত, এক সাক্ষাৎকারে মালাইকার সঙ্গে ব্রেকআপ নিয়ে বলতে গিয়ে অর্জুন বলেন, ”একাকিত্ব এই প্রথম নয়, ২০১৪ সালে মায়ের মৃত্যুর পর থেকেই আমার অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। এই সময়টাই নিজেকে তৈরি করেছি। অভিনেতা হয়েছি। কাজ আমাকে ব্যস্ত রাখত। তাই একাকীত্ব আমাকে গ্রাস করতে পারেনি।” মালাইকাকে ইঙ্গিত করে অর্জুন বলেন, ”তবে সম্প্রতি যেটা, যেভাবে ঘটেছে, তা সম্মাজনকভাবেই হয়েছে। তাই একাকিত্ব থাকলেও, দুঃখ এবং হতাশাটা কম। তবে এটা বুঝতে পেরেছি, সেলফ কেয়ার অত্যন্ত জরুরি। এটা নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যায়।”
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’