রাজ্যের দুই কেন্দ্র নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন। তার আগে ‘খাম’ প্রতীক নিয়ে তুঙ্গে চাপানউতোর। নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী নির্দেশে এই প্রতীকটি দিয়েছে ঋতব্রত শিবিরকে। অথচ এই প্রতীকটি বরাবর আইএসএফের। কমিশনের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ নওশাদ সিদ্দিকি। এই মামলায় কমিশনকে ভর্ৎসনা নির্বাচন কমিশনের। “এমন সিদ্ধান্ত কেন গ্রহণ করেন যাতে বিতর্ক হয়”, প্রশ্ন আদালতের।
আদালতের পর্যবেক্ষণ, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র কয়েক মাস আগেই অন্য একটি রাজনৈতিক দল প্রতীক ব্যবহার করেছিল। মোট ১৮৩টি প্রতীক রয়েছে। কেন একটি প্রতীককেই বেছে নেওয়া হল? মাত্র একটি প্রতীকই কি পাওয়া যাচ্ছিল? আরও বহু প্রতীক ছিল। বিতর্কিত প্রতীকটি এড়িয়ে যাওয়া যেত। কেন আগে শুনানি না করে প্রতীক বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল, সে প্রশ্নও তোলে হাই কোর্ট। আদালতের প্রশ্ন, “আগের ব্যবহারকারীকে কেন অগ্রাধিকার দেওয়া হল না।”
আরও পড়ুন:
নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়, প্রতীক বাছাইয়ের সুযোগ আবেদনকারীকে দেওয়া হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে মামলাকারীদের আইনজীবী পালটা জানান, আলাদা করে কোনও প্রতীক তাঁরা বেছে নেননি। প্রতীক বরাদ্দ করেছিল কমিশনই। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের প্রশ্ন, কোনও প্রতীক নিয়ে বিরোধ তৈরি হল কেন সেটি আগেই পুনর্বিবেচনা করল না কমিশন। নির্বাচন নির্বিঘ্ন হওয়ার বিষয়টি কর্তৃপক্ষেরই মাথায় রাখা উচিত ছিল। উষ্মাপ্রকাশ করে বিচারপতির প্রশ্ন, “কর্তৃপক্ষের কাজ কি মানুষকে বারবার আদালতে আসতে বাধ্য করা?” নির্বাচন শুরু হওয়ার পর এই ধরনের সিদ্ধান্তের জেরে রাজনৈতিক দলগুলিকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে এবং তার ফলে আদালতের উপরও অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। এরপর শুনানি মুলতুবি করে দেয় আদালত। পরবর্তী শুনানিতে কমিশনের অবস্থান এবং প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত কবে নেওয়া হয়েছিল জানতে চাইলেন বিচারপতি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ন’মাস ধরে যৌন নিগ্রহের শিকার! নাবালিকার সন্তান প্রসবের পর কু-কীর্তি ফাঁস, এন্টালিতে গ্রেপ্তার যুবক
-
দার্জিলিঙে রোপওয়ে করবে আদানিরা! শুভেন্দু সরকারের উদ্যোগে বঙ্গ পর্যটনে নতুন দিগন্ত
-
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা, অপসারণের দাবিতে এবার সংসদের দু’কক্ষেই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব!
-
দুধের তৈরি না হলে বলা যাবে না ‘পনির’, ভেজালের রমরমা রুখতে কড়া নিয়মের পথে কেন্দ্র
-
পুজোয় বাঙালির পাতে পড়বে না পদ্মার ইলিশ! রুপোলি শস্য রপ্তানিতে মেলেনি ছাড়পত্র