PM Modi

‘মণিপুরের জন্য আনন্দের মুহূর্ত’, ‘বুং’-এর ‘বাফটা’ জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি, পালটা ধন্যবাদ ফারহানের

BAFTA Winner Boong: অশান্ত মণিপুরের প্রেক্ষাপটে তৈরি 'বুং'-এর বিশ্বজয়। গর্বিত প্রধানমন্ত্রী কী বললেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ২০:২০

options
link
‘মণিপুরের জন্য আনন্দের মুহূর্ত’, ‘বুং’-এর ‘বাফটা’ জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি, পালটা ধন্যবাদ ফারহানের
মণিপুরের প্রেক্ষাপটে তৈরি 'বুং'-এর বিশ্বজয়ে গর্বিত প্রধানমন্ত্রী। ছবি- সংগৃহীত

তেইশ-চব্বিশ সালে অগ্নিগর্ভ মণিপুর নিয়ে ‘মৌন’ নরেন্দ্র মোদির সমালোচনায় সরব হয়েছিল দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। তবে এবার মণিপুরী ছবির ‘বাফটা’ জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী। ৭৯তম বাফটা পুরস্কারের মঞ্চে পশ্চিমী সিনেমাকে টেক্কা দিয়ে ইতিহাস গড়েছে মণিপুরের সিনেমা। তালিকায় থাকা ‘আর্কো’, ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’, ‘জুট্রোপলিস ২’র মতো ছবিকে পিছনে ফেলে বাফটা পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছে ফারহান আখতার এবং রীতেশ সিধওয়ানি প্রযোজিত ‘বুং’। আর সেই প্রেক্ষিতেই গোটা টিমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোদি।

Advertisement

“আশা করি, এবার দেশের প্রতিটা কোণা থেকে সিনেমাওয়ালারা উঠে আসবে গোটা বিশ্বের কাছে নিজের দেশের গল্প শোনানোর জন্য।”

সোমবার এক্স হ্যান্ডেলের শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “এই সিনেমার সঙ্গে যুক্ত সকলকে অভিনন্দন। এটা সত্যিই এক অপরিসীম আনন্দের মুহূর্ত, বিশেষ করে মণিপুরের জন্য। পাশাপাশি এই সিনেমা বিশ্বমঞ্চে আমাদের দেশের অসাধারণ সৃজনশীল প্রতিভাকেও তুলে ধরল।” নরেন্দ্র মোদির তরফে শুভেচ্ছাবার্তা পেয়ে আপ্লুত প্রযোজক ফারহান-রীতেশও। উৎসাহ জোগানোর জন্য পালটা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ফারহান আখতার। এক্সেল এন্টারটেইনমেন্ট-এর তরফে রীতেশ বলছেন, “আপনার তরফে এমন প্রশংসা পাওয়া আমাদের টিমের জন্য পরম সৌভাগ্য। আশা করি, এবার দেশের প্রতিটা কোণা থেকে সিনেমাওয়ালারা উঠে আসবে গোটা বিশ্বের কাছে নিজের দেশের গল্প শোনানোর জন্য।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

PM Modi congratulates Team Boong after its historic BAFTA win
‘বাফটা’ ট্রফি হাতে টিম ‘বুং’। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

রবিবার রাতে লন্ডনের রয়্যাল ফেস্টিভ্যাল প্রেক্ষাগৃহে দাঁড়িয়ে ‘বাফটা’ পুরস্কার হাতে মণিপুরী পরিচালক লক্ষ্মীপ্রিয়া বলেন, “এই মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে আমি মণিপুরে শান্তি ফেরার প্রার্থনা জানাচ্ছি। আমার প্রার্থনা, আমাদের সিনেমার ছোট্ট বুংয়ের মতো মণিপুরের সমস্ত বাস্তুচ্যুত শিশুরা যেন তাদের নির্মল সহজ-সরল শৈশব ফিরে পায়। ভবিষ্যতে ওদের সব স্বপ্ন পূরণ হোক। তাই ‘বাফটা’র মঞ্চকে ধন্যবাদ, এই স্বীকৃতি আমাদের কাছে পুরস্কারের থেকেও অনেক বেশি আশার আলো।” গল্পের প্রেক্ষাপট অশান্ত মণিপুরের সীমান্তবর্তী এলাকার এক প্রত্যন্ত গ্রাম। সেখানকার বাসিন্দা খুদে বুং। তাকে ঘিরেই এই সিনেমার গল্প। যেখানে ছোট্ট বুং তার মা’কে (বালা হিজাম) এক সারপ্রাইজ দিতে চায়। তার জন্য খুদে মাথায় বড় পরিকল্পনাও করে ফেলেছে সে। সেই উপহার কী না, অশান্ত মণিপুরে খুদে বুং তার হারিয়ে যাওয়া বাবাকে খুঁজছে। এবং তার একটাই লক্ষ্য, বাবাকে বাড়িতে ফিরিয়ে এনে গোটা পরিবারের রিইউনিয়ন ঘটানো। তবে খুদে বুংয়ের স্বপ্নে কঠোর বাস্তবের কুঠারাঘাত পড়ে যখন সে মণিপুরের সীমান্ত টপকানোর চেষ্টা করে। ‘বুং’-এর এহেন মর্মস্পর্শী কাহিনিই বিশ্বসিনেমার আঙিনায় চর্চায়। যে ছবির বাফটা জয়ে উচ্ছ্বসিত নরেন্দ্র মোদিও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.