salman Khan

‘সলমনকে খুন করতেই…’, গ্যালাক্সির বাইরে গুলি চালানোর ঘটনায় আদালতে সাক্ষ্য দেহরক্ষীর

মুম্বইয়ের বান্দ্রায় ভাইজান সলমন খানের বাড়ির সামনে গুলি চালানোর ঘটনায় নয়া মোড়। বহুল আলোচিত এই মামলার শুনানিতে রাজসাক্ষী হলেন বলিউড তারকা সলমন খানের দেহরক্ষী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২৬, ১৭:২১

options
link
‘সলমনকে খুন করতেই…’, গ্যালাক্সির বাইরে গুলি চালানোর ঘটনায় আদালতে সাক্ষ্য দেহরক্ষীর
সলমনের নতুন বাড়ি!

দিনটা ছিল ১৪ এপ্রিল, ২০২৪। ওই দিন ভোররাতে মুম্বইয়ের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট অর্থাৎ সলমন খানের বাসভবনের বাইরে গুলি চালায় দুই বন্দুকধারী। দীর্ঘ শত্রুতার জেরে লরেন্স বিষ্ণোই ও অনমোল বিষ্ণোই এই হামলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। মুম্বইয়ের বান্দ্রায় ভাইজান সলমন খানের বাড়ির সামনে গুলি চালানোর ঘটনায় নয়া মোড়। বহুল আলোচিত এই মামলার শুনানিতে রাজসাক্ষী হলেন বলিউড তারকা সলমন খানের দেহরক্ষী। তিনি আদালতে উপস্থিত হয়ে স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভয় দেখানোর জন্য নয়, সলমনের প্রাণনাশের জন্যই গুলি চালানো হয়ছিল।

Advertisement

জানা গিয়েছে, গত মাসে বিচার শুরু হয়েছে এবং দেহরক্ষী প্রথম সাক্ষী হিসেবে হাজিরা দেন।
হামলাটি অভিনেতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল সেই বিষয়টি একশো শতাংশ নিশ্চিত করেছেন।সংবাদসংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই ‘অভিশপ্ত ভোর’-এর ঘটনা বিস্তারিত জানান। ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা সাতটা থেকে নিয়মমাফিক ডিউটিতে ছিলেন। পরদিন অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল ভোর চারটে নাগাদ হঠাৎ আতশবাজির মতো শব্দ শুনতে পান। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে একশো শতাংশ নিশ্চিত হয়ে যান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মামলার অপর সাক্ষী এক পুলিশ প্রহরী। শনিবার তিনি আদালতে জানান, লবিতে থাকার কারণে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করতে পারেননি, পরে গুলির খোলস পড়ে থাকতে দেখেন। প্রসঙ্গত, ঘটনার আগে, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের পক্ষ থেকে একাধিক হুমকি পাওয়ার পর সলমন খানকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল।

গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট অর্থাৎ সালমন খানের বাসভবনের বাইরে গুলি

দেহরক্ষী আরও জানান, মোটরসাইকেলে আসা হামলাকারীরা চার থেকে পাঁচবার গুলি চালায়। তিনি এবং অন্যান্য নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। সলমন খানের দেহরক্ষীর সাক্ষ্য এই মামলার তদন্তকে দ্রুত এগিয়ে নিতে যাতে সাহায্য করবে তা বলাই বাহুল্য। মিডিয়া রিপোর্ট মোতাবেক, সলমানের দেহরক্ষী জানান, সেই সময় অভিনেতা নিজের বাড়িতেই ছিলেন। অভিনেতার বিরুদ্ধে হুমকির ছক কষার বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না সেই বিষয়টিও স্পষ্ট করেছেন।

Advertisement

মামলার অপর সাক্ষী এক পুলিশ প্রহরী। শনিবার তিনি আদালতে জানান, লবিতে থাকার কারণে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করতে পারেননি, পরে গুলির খোলস পড়ে থাকতে দেখেন। প্রসঙ্গত, ঘটনার আগে, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের পক্ষ থেকে একাধিক হুমকি পাওয়ার পর সলমন খানকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল।২০২৪ সালের এপ্রিলের এই হামলার পর মুম্বই পুলিশ ভাইজানের নিরাপত্তা আরও আটসাঁট করে।

বাসভবনে ভাইজান

পুলিশ সূত্রে খবর, হামলার নেপথ্যে ছিল ভিকি গুপ্তা এবং সাগর পাল। মহম্মদ রফিক সর্দার চৌধুরী হামলার দুদিন আগে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের চারপাশ রেইকি করে অনমোল বিষ্ণোইকে পাঠায়। যে এই মামলার অন্যতম পলাতক অভিযুক্ত। সোনুকুমার বিষ্ণোই, মহম্মদ রফিক চৌধুরী এবং হরপাল সিং বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে। আরেক অভিযুক্ত, অনুজকুমার থাপন, পুলিশ হেফাজতে আত্মহত্যা করেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.