সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৃহস্পতিবারই ‘প্রধান’ ছবির শুটিং স্পট থেকে অজগরকে হাতে নিয়ে ফটোশুট করেছিলেন সোহম। তার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় সোহমকে কটাক্ষ শুরু করেন নেটিজেনরা। নেটিজেনদের মতে, বন্যপ্রাণীর সঙ্গে সঠিক আচরণ করেননি সোহম। আর তা নিয়েই শুরু বিতর্ক।
এই বিতর্কের জবাব সোশাল মিডিয়ায় নিজেই দিলেন সোহম। সোহম এক লম্বা পোস্টে লিখলেন, ”আমার এই ছবি দেখে কিছু মানুষ বিষয়টা না জেনেই নিজের মতো করে মতামত জানিয়েছেন। আসলে, হোটেলের নিচে বন দফতরের কর্মীদের সাহায্য করার কারণেই সাপটিকে ধরেছিলাম। বন্যপ্রাণীর ক্ষতি করার কোনও ইচ্ছে ছিল না।”
View this post on InstagramAdvertisement
[আরও পড়ুন: ‘রাজত্ব বজায় থাকুক’, ‘জওয়ান’ দাপটে মুগ্ধ সোনু সুদ, আপ্লুত শাহরুখের মন্তব্য, ‘ভাইকে পেলাম’]
অজগরকে হাতে ধরতে ভয় পেয়েছিলেন অভিনেতা বিশ্বনাথ। তা ইনস্টাগ্রামে ভিডিও শেয়ার করে স্পষ্ট জানিয়ে ছিলেন। তবে একেবারেই ভয় পেলেন না ডাকাবুকো সোহম। হাতের সামনে মস্ত বড় অজগর দেখতে পেয়ে সোজা হাতে নিয়ে ফেললেন। চলল টুকটাক ফটোশুট। আর সেই ছবি সোশ্য়াল মিডিয়ায় শেয়ার করে সোহম লিখলেন, আজ সকালের প্রধান আকর্ষণ। হ্য়াঁ, এসব কাণ্ড ঘটেছে দেবের প্রধান ছবির শুটিং স্পটেই। যে হোটেলে দেব, সোহমরা রয়েছেন, সেখানেই বৃহস্পতিবার সকাল সকাল হাজির ১৫ ফুটের অজগর!
প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই পুলিশের পোশাকে চমক দিয়েছেন দেব ও সোহম। এই ছবিতে দেবের চরিত্রের নামও প্রকাশ্যে এসেছে- ‘দীপক প্রধান’। দেব ও সোহম যে এখানে পেশিবহুল দাপুটে পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করছেন, তা বেশ বোঝা গেল।
‘প্রধান’-এর জন্য প্রস্তুতি অবশ্য অনেক আগে থেকেই নেওয়া শুরু করেছিলেন তারকা-সাংসদ। কড়া শরীরচর্চা করতে হয়েছে তাঁকে। সোহম চক্রবর্তীও গোটা ১ মাস জিমে ঘাম ঝরিয়েছেন নিয়ম করে। এবার ডুয়ার্সে শুটিং শুরু করলেন দেব-সোহম।
[আরও পড়ুন: ‘প্রধান’ প্রায়োরিটি মা, শুটিংয়ের ফাঁকে মূর্তি নদীর জলে নেমে ক্যামেরায় পোজ দেবের]
সর্বশেষ খবর
-
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে হেঁশেলের ৭ উপাদান, কীভাবে হয়ে উঠেছিল বিপ্লবের হাতিয়ার?
-
৫৩ বছর আগে পদ্মশ্রীর জন্য নির্বাচিত, আজও হাতেই পাননি! জয় শাহর দ্বারস্থ কিংবদন্তি ক্রিকেটার
-
চিনের ‘ঘাড়ে’ চেপে চাঁদে যাবে পাকিস্তান! চন্দ্রপৃষ্ঠে হাঁটবে ‘জিন্না-১’
-
অভিষেকের পিএ সুমিতকে এখনই গ্রেপ্তার নয়, সুপ্রিম কোর্টে বহাল রক্ষাকবচ
-
‘তোকে ছাড়া বাকি জীবনটা…’, প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকবিহ্বল অঙ্কুশ, যন্ত্রণায় কাতর ঐন্দ্রিলা