গোমাংস বিতর্কের মাস ঘুরতেই নতুন করে চর্চায় সায়ক চক্রবর্তী। প্রাক্তন বউদি সুস্মিতা রায়ের সঙ্গে অভিনেতা-ইনফ্লুয়েন্সারের সোশাল তরজায় কান ঝালাপালা হওয়ার জোগাড় নেটভুবনের! সাংসারিক দ্বন্দ্ব, ব্যক্তিগত সমস্যা কেন সোশাল প্ল্যাটফর্মে? প্রশ্ন তুলে অনেকেই ‘আবর্জনা’ বলে কটাক্ষ করেছেন। কেউ বা আবার উভয়পক্ষের মন্তব্য আতশ কাচের তলায় রেখে লাগাতার ‘নীতিপুলিশি’ চালিয়ে যাচ্ছেন! এমন আবহে সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে মুখ খুললেন তসলিমা নাসরিন।
আরও পড়ুন:
প্রশ্ন উঠেছে, ইনফ্লুয়েন্সারদের নীতিবোধ নিয়েও। নেটভুবনের একাংশ যখন এহেন ভারচুয়াল বাকবিতণ্ডাকে ‘কলতলা কালচার’ বলে তোপ দেগেছেন, তখন তসলিমা নাসরিন কিন্তু ব্যক্তিস্বাতন্ত্রে জোর দিলেন। সমকাম, থ্রিসাম, বহুবিবাহ কোনওটাতেই দোষ দেখছেন না লেখিকা। বললেন…
গত কয়েক দিন ধরে সোশাল মিডিয়া খুললেই সায়ক চক্রবর্তী এবং তাঁর প্রাক্তন বউদি সুস্মিতা রায়ের ভার্চুয়াল বাকবিতণ্ডার পোস্ট নজরে পড়়ছে। যেখানে ‘বহুবিবাহ, সমকাম থেকে থ্রিসামে’র মতো একাধিক ইস্যু উত্থাপন হয়েছে। কখনও সুস্মিতার বিরুদ্ধে পাঁচটি বিয়ের অভিযোগ তুলেছেন প্রাক্তন স্বামী সব্যসাচী চক্রবর্তী তো কখনও বা আবার সুস্মিতা তাঁর বিরুদ্ধে ‘বিকৃত যৌনতা’র দাবি তুলেছেন। এমনকী ‘সমকাম যৌনতা’র প্রসঙ্গ তুলে সায়ককেও কটাক্ষ করেছেন অভিনেত্রী-ইনফ্লুয়েন্সার। যেসব শুনে নেটবাসিন্দাদের একাংশের কানে আঙুল দেওয়ার জোগাড় হয়েছে! প্রশ্ন উঠেছে, ইনফ্লুয়েন্সারদের নীতিবোধ নিয়েও। নেটভুবনের একাংশ যখন এহেন ভারচুয়াল বাকবিতণ্ডাকে ‘কলতলা কালচার’ বলে তোপ দেগেছেন, তখন তসলিমা নাসরিন কিন্তু ব্যক্তিস্বাতন্ত্রে জোর দিলেন। সমকাম, থ্রিসাম, বহুবিবাহ কোনওটাতেই দোষ দেখছেন না লেখিকা। কী মন্তব্য তসলিমার (Taslima Nasrin)?

লেখিকার কথায়, “ফেসবুকে সায়ক, সব্যসাচী আর সুস্মিতার গল্প ভেসে বেড়াচ্ছে। দর্শক-শ্রোতা হয় একে, নয় ওকে দোষী করছে। আমার তো কাউকে দোষী বলে মনে হচ্ছে না। সুস্মিতার যদি সায়কের পরিবারের মুখোশ উন্মোচন করে শান্তি হয়, তাহলে হোক শান্তি। সুস্মিতা অভিযোগ করেছে সায়ক সমকামী। প্রেমিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের কারণে তাঁর কোনও একটি অঙ্গ ছিঁড়ে গিয়েছিল বলে রুবি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। হতেই পারে। এ তো সায়কের দোষ নয়, পার্টনারদের মধ্যে ছোড়াছুড়ির আর ছেঁড়াছেঁড়ির ঘটনা ঘটতেই পারে। কেউ আহত হতেই পারে, আবার সুস্থও হয়ে যেতেও পারে। সুস্মিতা এও অভিযোগ করেছে, সব্যসাচী থ্রিসাম করতো। এও তো দোষের কিছু নয়। পার্টনারদের সম্মতিতে সে এই কাজটি করতেই পারে। কাউকে যদি জোর জবরদস্তি না করে, কাউকে যদি ধর্ষণ না করে, তাহলে তো সমস্যা নেই। সায়ক আর সব্যসাচী অভিযোগ করেছে, সুস্মিতা পাঁচটা বিয়ে করেছে। পাঁচটা বিয়ে করে কেউ যদি আনন্দ পায়, তাহলে পাক আনন্দ। সে তো আর কাউকে জোর করে বিয়ে করছে না।” তসলিমা নাসরিনের এহেন পোস্টই এখন নেটভুবনে চর্চার শিরোনামে। পালটা নেটবাসিন্দারা বাংলার সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের একাংশের রসাতলে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন লেখিকার পোস্টের মন্তব্য বাক্সে।

আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
দেড় দশকের রুগ্ন পুরুলিয়ার লাক্ষা শিল্পে জোয়ার, জিআই স্বীকৃতির পরই খুলছে আন্তর্জাতিক বাজার
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা
-
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার
-
স্বাধীনতা দিবসে লোকভবনে আমন্ত্রিত ৪ হাজার, অনুষ্ঠানে অন্য ৫ রাজ্যও, নবান্নের গুচ্ছ গাইডলাইন
-
সুজিতের অ্যাকাউন্টে নিয়োগ দুর্নীতির ৮ কোটিরও বেশি টাকা, হাই কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির