সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কখনও তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায়, কখনও আবার আলাদা পথের পথিকের মতো সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট দেন। তাতেই বিচ্ছেদের জল্পনায় ঘৃতাহুতি পড়ে। তখন আবার প্রশ্ন ওঠে, সত্যিই কি মালাইকা অরোরা ও অর্জুন কাপুরের ব্রেকআপ হয়ে গিয়েছে? সবার সামনেই যেন এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিলেন অর্জুন। অভিনেতা দাবি করলেন তিনি, ‘সিঙ্গল।’

মডেলিংয়ের মাধ্যমে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন মালাইকা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি হয়ে যান বলিউডের ‘ছঁইয়া ছঁইয়া গার্ল’। ১৯৯৮ সালে আরবাজের সঙ্গে মালাইকার বিয়ে হয়েছিল। তার চার বছর পর দুজনের ছেলে আরহানের জন্ম হয়। ২০১৬ সালে আরবাজ-মালাইকার আলাদা থাকার কথা জানা যায়। ২০১৭ সালে আইনিভাবে বিচ্ছেদ হয়। ২০১৬-তেই নাকি নিজের চেয়ে ১২ বছরের ছোট অর্জুন কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান মালাইকা।
প্রথমে সম্পর্ক নিয়ে বেশ লুকোছাপা ছিল অর্জুন-মালাইকার। কিন্তু তার পর একেবারে খুল্লমখুল্লা প্রেম। সোশাল মিডিয়ায় একসঙ্গে ছবি শেয়ার করতে থাকেন দুই তারকা। শোনা যায়, মালাইকার পাশে থাকার জন্য বান্দ্রায় ২০ কোটি টাকা দিয়ে একটি চারটি বেডরুম, কিচেন, ড্রয়িংরুমওয়ালা ফ্ল্যাট কিনেছিলেন অর্জুন। কিন্তু এখন নাকি চিত্র আলাদা। বেশ কয়েকদিন ধরেই মালাইকা, অর্জুনের সোশাল মিডিয়া পোস্টে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দেখা যাচ্ছিল।

এর মধ্যেই আবার মালাইকার জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়। মুম্বইয়ের বান্দ্রা এলাকার ৬ তলা বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়েই আত্মঘাতী হন অভিনেত্রীর বাবা। খবর পেয়েই ছুটে যান অর্জুন কাপুর। মালাইকার প্রাক্তন স্বামী আরবাজও গিয়েছিলেন বান্দ্রায়। কিন্তু সম্প্রতি ‘সিংহম এগেইন’ ছবির একটি প্রচারের ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। আর তাতে ‘মালাইকা’র নাম শুনেই অর্জুন কাপুর বলে ওঠেন, ” না না! আমি এখন সিঙ্গল। সুতরাং নিশ্চিন্তে থাকুন।” অর্জুনের এই মন্তব্যই যেন তাঁর ও মালাইকার প্রায় ছবছরের সম্পর্ক ভাঙার জল্পনায় সিলমোহর দিল।
View this post on Instagram
সর্বশেষ খবর
-
কড়ি ফেললেই আফগান হচ্ছে ভারতীয়! বার্থ সার্টিফিকেট তৈরির অভিযোগে গ্রেপ্তার মালবাজারে পুরকর্মী
-
লাইন এড়িয়ে আউটডোরের টিকিট কাটার টোপ! এসএসকেএমে জালচক্রের রমরমা, গ্রেপ্তার ৩
-
রক্তপাতহীন বই-হত্যা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধ্বংসযজ্ঞ!
-
প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতে ভরসা বাড়ছে, এইমসের আদলে বঙ্গে এবার আয়ুর্বেদ হাসপাতাল!
-
‘এমন সিদ্ধান্ত কেন নেন যাতে বিতর্ক হয়’, খাম প্রতীক জটিলতায় কমিশনকে প্রশ্ন হাই কোর্টের