দর্শকদের মজাতে পারলেন কি ইমরান? কেমন হল ‘হোয়াই চিট ইন্ডিয়া’?

হলে যাওয়ার আগে জেনে নিন কেমন হল ছবিটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ১৫:২৫

options
link
দর্শকদের মজাতে পারলেন কি ইমরান? কেমন হল ‘হোয়াই চিট ইন্ডিয়া’?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজটাল ডেস্ক: ‘গুলাব গ্যাং’ করার পর থেকে পরিচালক সৌমিক সেন সম্পর্কে আশা দর্শকের মনে অনেক বেড়ে গিয়েছে। তার পরের ছবি ‘হোয়াই চিট ইন্ডিয়া’ নিয়েও তাই কৌতূহল ছিল প্রচুর। তার কতটা পূরণ করতে পারল ছবিটি? দর্শক বলছে, অন্যধারার ছবি দেখতে চাইলে ‘হোয়াই চিট ইন্ডিয়া’ মন ভরিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু কমার্শিয়াল দিক থেকে পাঁচের মধ্যে দেড় নম্বরের বেশি কোনও দর্শকই দিতে চান না ছবিটিকে।

Advertisement

ছবির বিষয়বস্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। ভারতে সরকারি চাকরির প্রায় সবটাই এর উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষায় পাশ করার জন্য সবকিছু করতে পারে যুবসমাজ। আর যদি কিছু টাকার বিনিময়ে সারা জীবনের জন্য সুরক্ষিত, পায়ের উপর পা তুলে জীবন কাটিয়ে দেওয়ার মতো চাকরি পাওয়া যায়, তাহলে মন্দ কী? আর এই লোভটাকেই কাজে লাগায় রাকেশ ওরফে রকি। বড়লোকের ছেলেরা পড়াশোনা তেমন করে না। দিনরাত জীবন ‘উপভোগ’ করতে চায় তারা। বাবার পকেট একটু ভারী হলেই হাতির পাঁচ পা দেখে ছেলেমেয়েরা। পড়াশোনা লাটে তুলে দেয়। এদিকে বাবা মায়েরাও ছেলেমেয়েদের সেটেলড করতে চায়। এই ফাঁক গলেই ঝুকে পড়ে রকি। গরিব ঘরের মেধাবী ছেলেমেয়েদের সে খুঁজে বের করে। তারপর ভুয়ো পরিচয়পত্র দিয়ে তাদের পাঠিয়ে দেয় পরীক্ষার হলে। তারা পরীক্ষা দিয়ে চাকরি এনে দেয় বড়লোক ছেলেদের। আর তার পরিবর্তে তারা পায় টাকা। সেই টাকা দিয়েই তাদের দিন গুজরান হয়। এমনই এক ছেলে সত্যেন্দ্র দুবে। বিচক্ষণ ছাত্র সে। পড়াশোনায় তুখোড়। এমন ছাত্র কি আর রকির নজর এড়ায়? অতএব সে কাজে লেগে পড়ে। কিন্তু ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। তাই পুলিশি নজর বাঁচিয়ে এগিয়ে গেলেও একদিন ধরা পড়ে যায় রকি। এখানেই ঘুরে যায় ছবির মোড়।

Advertisement

রাজবংশিদের গল্প পর্দায় আনল ‘দোতারা’ ]

Advertisement

কথায় বলে ‘শেষ ভাল যার, সব ভাল তার’। আর এখানে এসেই মার খেয়ে যায় ‘হোয়াই চিট ইন্ডিয়া’। ছবির চিত্রনাট্য বেশ দুর্বল। পরিচালনা পরের কথা, গল্প লেখার ক্ষেত্রেই বাঁধুনি রাখতে পারেননি পরিচালক। গবেষণায় কোনও কোনও জায়গায় গলদ রয়ে গিয়েছে। তবে ছবির অন্যতম চমক অবশ্যই ইমরান হাসমি। ‘কিসিং কিং’ ইমেজের বাইরে তিনি যে একজন জাঁদরেল অভিনেতা, তা আগে তিনি একাধিকবার প্রমাণ করেছেন। এখানেও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু তাঁর থেকে অসাধারণ অভিনয় দেখতে চাইলে কিছুটা হতাশ হতে হবে। কিন্তু মোটের উপর ছবিটি নেহাত ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার মতো নয়। সিনেমাহলে দেখতে যাওয়াই যায়।

কংগ্রেস বা বিজেপি, কাউকেই খুশি করতে পারল না ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.