সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটযুদ্ধে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। পক্ষে-বিপক্ষের তরজা চলছেই। লড়াই মূলত সবুজ ঘাসফুল ও কমলা গেরুয়া শিবিরের। বঙ্গ দখলের যুদ্ধে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি পর্যন্ত ছাড়তে নারাজ। চৈত্রের তীব্র দাবদাহকেও হার মানাচ্ছে ভোটের প্রচার, পালটা প্রচারের উত্তাপ। এমন পরিস্থিতিতে দিব্যি ‘ডিনার ডেটে’ মজেছেন দুই বিরোধী পক্ষের সৈনিক নুসরত জাহান (Nusrat Jahan) ও যশ দাশগুপ্ত (Yash Dasgupta)। দিনের বেলায় একজন তৃণমূলের (TMC) হয়ে প্রচার করছেন, আরেকজন বিজেপির (BJP) প্রার্থী হয়ে ভোট চাইছেন। আর রাতের বেলা একই ডেজার্ট উপভোগ করার ছবি পোস্ট করছেন দুই তারকা। তাতেই নেটদুনিয়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। শুরু হয়ে গিয়েছে ব্যঙ্গ, বিদ্রুপ।
এর আগেও একসঙ্গে নৈশভোজ সেরেছেন নুসরত ও যশ। সে ছবি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও শেয়ার করেছেন। তবে ভোটের আবহে এবার মিষ্টি স্বাদে মজেছেন দুই কাছের বন্ধু। সেই ছবি শেয়ার করে আবার নুসরত লিখেছেন, “টেবিলের উপর আমার পছন্দের জিনিস… সঙ্গে আমার পছন্দের মানুষ।” লেখার পর আমার যশকে ট্যাগও করেছেন। সেই ছবি যশ শেয়ার করে আবার লিখেছেন, “সত্যি! তোমার তৃপ্তির আমেজ পাচ্ছি!”

[আরও পড়ুন: ব়্যাপের ছন্দে ‘গাল্লি বয়’ ছবির স্মৃতি ফেরাল পরমব্রত-মধুমিতার ‘ট্যাংরা ব্লুজ’-এর ট্রেলার]
এই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়ে গিয়েছে বিদ্রুপের পালা। কেউ লিখেছেন “খেলা হবে, গেলা হবে, জনসাধারণের কাঁচকলা হবে”, কেউ আবার লিখেছেন, “যাঁরা ‘এদের’ জন্য নিজেদের মধ্যে অশান্তি করেছেন, দেখে নিন এরা দিব্যি আছে।” একজন আবার কটাক্ষ করে লিখেছেন, “রোমিও-জুলিয়েট বাহ বাহ আর ‘বিশেষ বন্ধু’র ডেফিনেশনটা আসলে কী? তাঁরা তো নিজেদেরকে জাস্ট ফ্রেন্ড বলেই দাবি করে।” এই ব্যঙ্গ, বিদ্রুপ দেখার সময় অব্য দুই তারকার এখন নেই। তৃণমূল প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করে চলেছেন নুসরত। এদিকে মঙ্গলবার যশের হয়ে জনসংযোগ করেন ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তী।
[আরও পড়ুন: দিলীপ ঘোষের ‘রগড়ে দেব’ মন্তব্যকে সমর্থন করে শিল্পীদের তীব্র কটাক্ষ রুদ্রনীলের]
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ