সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জানুয়ারিতে বড়পর্দায় মুক্তি পায় শাহিদ কাপুর ও পূজা হেগড়ে অভিনীত ‘দেবা’ ছবিটি। বক্স অফিসে ছবিটি সফল হয়নি। গত সপ্তাহে ছবিটি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পায়। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়ার পরই ব্যর্থতা বদলে গিয়েছে সাফল্যে। ‘দেবা’ ছবিতে এক দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশের চরিত্রে শাহিদের অভিনয় দেখে দর্শক ধন্য ধন্য করছেন। শুধু তাই নয়, এই ছবি দেখে বলিউড সুপারস্টার সলমন খানকেও শাহীদকে অনুকরণের পরামর্শ দিচ্ছেন নেটিজেনরা। পড়ে অবাক হলেন তো! হ্যাঁ এমনই ঘটনা ঘটেছে।
শাহিদ কাপুরকে দর্শকরা রোমান্টিক ইমেজেই বেশি দেখেছেন। কিন্তু অভিনেতা যখনই ‘হায়দার’, ‘উড়তা পাঞ্জাব’ মতো ভিন্ন ধারার ছবিতে অভিনয় করেছেন তখন দর্শকরা তাঁকে প্রশংসায় ভরিয়েছেন। তাঁর চিত্রনাট্য নির্বাচনের মুন্সিয়ানার তারিফ করেছেন অনুরাগীরা। এবার ‘দেবা’ নিয়েও একই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নেটিজেনরা। একই সঙ্গে বলি সুপারস্টার সলমন খানকে শাহিদের ছবির মতো চিত্রনাট্য নির্বাচনের পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে সলমনের নতুন ছবি ‘সিকন্দর’-এর কথা মাথায় রেখেই এমন দাবি তুলেছেন নেটাগরিকরা। তারা অনেকেই সলমনকে পরামর্শ দিয়েছেন, ‘শুধুমাত্র অ্যাকশন ঘরানার ছবিতে কাজ না করে শাহীদের মতো চিত্রনাট্য নির্বাচনে সতর্ক হন।’ এক সলমন অনুরাগী লিখেছেন ‘আমি সিকন্দর নিয়ে খুবই আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু হতাশ হয়েছি। দেবা দেখে আমি খুবই খুশি। আশা করব সলমন খানকেও এই ধরনের ছবিতে দেখা যাবে।’ আরেক অনুরাগী দাবি তুলেছেন, ‘গঙ্গারামের মতো অ্যাকশনধর্মী ছবিতে কাজ না করে দেবার মতো চিত্রনাট্য নির্বাচন করুন।’ এমনকী অনুরাগীরা শাহিদের অভিনয়ের সঙ্গে সলমনের অভিনয়ের তুলনাও টেনেছেন।
প্রসঙ্গত ইদে মুক্তি পেয়েছে সলমন অভিনীত ‘সিকন্দর’ ছবিটি। বক্স অফিসে ছবিটি এখনও সেভাবে সাফল্যের মুখ দেখেনি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সেই কারণেই নেটিজেনরা শাহিদ সঙ্গে সলমনের তুলনা টেনেছেন।
সর্বশেষ খবর
-
হাতে ৩৫ লাখি ব্যাগ, ২১ লক্ষের ঘড়ি পরে সংসদে ‘ক্যুইন’, মহুয়ার পর চর্চায় কঙ্গনার ‘ব্যাগবতী’
-
কলকাতায় আসার ঝঞ্ঝাট নেই, এবার চাকদহ থেকে সোজা শিলিগুড়ি! এসি বাস চালু এ সপ্তাহেই
-
ওয়ানডে বিশ্বকাপের দলে ঢুকতে কী করতে হবে? এবার ‘ব্রাত্য’ শামির জন্য এগিয়ে এলেন জাহির খান
-
স্বাধীনতা বিষয়ক ক্যুইজে সাভারকরের স্তুতি কেন? সাসপেন্ড শিক্ষক, সরগরম কেরল রাজনীতি
-
‘লক্ষ্মী এল ঘরে’, আনন্দে নাচ প্রপিতামহীর! মাইক বাজিয়ে কন্যারত্নকে ঘরে আনল পরিবার