সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত ৩৭ বছরের মধ্যে পঁচিশ সালে সবথেকে ভয়াবহ বন্যা দেখেছে পাঞ্জাব। গত সেপ্টেম্বর মাসে লাগাতার অতিভারী বৃষ্টির জেরে জলের নিচে চলে গিয়েছিল পাঞ্জাবের বিস্তীর্ণ এলাকা। লাফিয়ে বেড়েছিল মৃতের সংখ্যা। বন্যার জেরে শত শত মানুষ মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়েছেন। বানভাসি এলাকাগুলিতে নষ্ট হয়েছে বিঘার পর বিঘা চাষের জমিও। রুটিরুজি, বাসস্থান, সর্বস্ব খুইয়ে সবে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে পাঞ্জাব, এমন আবহে ‘শিখ অ্যাইড ফাউন্ডেশনে’র সঙ্গে হাত মিলিয়ে দুর্গতদের হাতে নতুন বাড়ির চাবি তুলে দিলেন জনপ্রিয় ব়্যাপার বাদশা।

সম্প্রতি পাঞ্জাবের অঞ্জলায় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই স্থানীয় বাসিন্দাদের নতুন বাড়ি উপহার দিলেন বাদশা। মাসখানেক আগে ভয়াবহ বন্যায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিল পাঞ্জাবের একাধিক এলাকা। যার জেরে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েন বহু মানুষ। এযাবৎকাল সরকারি অনুদান আর তারকাদের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিই ছিল তাঁদের দিন গুজরানের একমাত্র ভরসা। রপাঞ্জাবি সিনেদুনিয়ার তারকারা যেমন একাধিক বানভাসি এলাকা দত্তক নিয়েছিলেন, তেমনই নিঃশব্দে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিলেন বলিউডের দুই খান শাহরুখ-সলমন। সেসময়ে বন্যাবিধ্বস্ত গ্রামগুলির পাশে দাঁড়ান ব়্যাপার বাদশাও। মোটা অঙ্কের অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি দত্তক নিয়েছিলেন একাধিক এলাকা। এবার সব হারানো মানুষগুলিকে প্রতিশ্রুতিমাফিক নতুন মাথা গোঁজার ঠাঁই উপহার দিলেন।
বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, প্রতিটি বাড়িই এমনভাবে তৈরি যাতে ভবিষ্যতে এমন কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে বিপাকে না পড়তে হয় বাসিন্দাদের। টেকসই উপকরণ দিয়ে তৈরি এই পাকা বাড়িগুলি অনায়াসে ঝড়-জল, বন্যার মোকাবেলা করতে পারবে। স্থানীয়রাও হাতে হাতে বাড়ি তৈরির কাজ করেছেন বলে জানা গেল। এবার বাদশার মানবিক উদ্যোগে খুশি ভক্তরা। কুর্নিশ জানিয়ে অনুরাগীমহলের মন্তব্য, ‘বন্যাবিধ্বস্ত পাঞ্জাবের প্রাণ ফেরালেন বাদশা।’
সর্বশেষ খবর
-
‘কিছু বখাটের নোংরা কথা, দলেও একজন আছে’, আশিসের মৃত্যুতে কাদের নিশানা অনুব্রতর?
-
‘ইতিহাসের অন্ধকার-মর্মান্তিক অধ্যায়’, ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’য়ের ইতিহাস মনে করালেন মুখ্যমন্ত্রী
-
নথির প্রয়োজন নেই, দেখামাত্রই গ্রেপ্তার! অভিষেক ঘনিষ্ঠ বিনয়ের বিরুদ্ধে এবার ‘ওপেন ওয়ারেন্ট’
-
দীর্ঘ পথে ক্লান্তি! ঝরিয়াশোলে কাদায় আটকে মর্মান্তিক মৃত্যু হস্তিশাবকের, শত চেষ্টাতেও বাঁচাতে পারল না মা
-
মহারাষ্ট্রের এই আদিবাসী গ্রামে রাতের আকাশই মূল আকর্ষণ, আকাশগঙ্গা দেখতে ভিড় পর্যটকদের