Saba Ali Khan

বিয়ে ঠিক হয় কলকাতায়, শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসেন পাত্রী! পঞ্চাশেও কেন সিঙ্গল? জানালনে সইফের দিদি

কলকাতার ছেলের সঙ্গে পতৌদি পরিবারের যোগসূত্র তৈরি হয়েও হয়নি!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২৬, ১৫:০৫

options
link
বিয়ে ঠিক হয় কলকাতায়, শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসেন পাত্রী! পঞ্চাশেও কেন সিঙ্গল? জানালনে সইফের দিদি
সইফ, সাবা ও শর্মিলা

মায়ানগরীর টিনসেল টাউনের অন্যতম হাইভোলটেজ তারকা পরিবার পতৌদি পরিবার। শর্মিলা ঠাকুর থেকে সইফ আলি খান, তাঁর প্রাক্তন ও বর্তমান দুই স্ত্রীই বলিউডের নামজাদা অভিনেত্রী। বোন সোহা আলি খানও বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন, কিন্তু পায়ের নীচের জমি শক্ত করতে পারেননি। সবমিলিয়ে নবাব পরিবারের খুটিনাটি জানতে সদা আগ্রহী সিনেপ্রেমীরা। বলা ভালো, তারকা পরিবারের অন্দরমহলের প্রতি সাধারণ মানুষের একটা বাড়তি উৎসাহ থাকে। অনেকেই জানতে চান সইফ-সোহার বড় বোন সাবা আলি খান কেন আজও অবিবাহিত। পঞ্চাশ বছর বয়সেও নিঃসঙ্গতার নেপথ্য কাহিনি শোনালেন নবাবকন্যা।

Advertisement

সম্প্রতি অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া ও তাঁর স্বামী অঙ্গদ বেদির ভ্লগে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শর্মিলা ঠাকুর এবং ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদির জ্যেষ্ঠ কন্যা সাবা আলি খান। অকপট স্বীকারোক্তি, আজ পর্যন্ত কোনও প্রেমিক নেই। প্রেম কী জিনিস সেই স্বাদ আস্বাদনের সুযোগও হয়নি। পরিবারের তরফে বহু চেষ্টা করা হয়েছে। একবার তো কলকাতার একটি ছেলের সঙ্গে বিয়ে প্রায় ঠিক, কিন্ত শেষ মুহূর্তে সব ভেস্তে যায়।

Advertisement
করিনার সঙ্গে সাবা

স্মৃতিচারণ করে সাবার সংযোজন, “আমার জীবনে কোনও প্রেমিকই ছিল না। আঠারো, উনিশ বছর বয়স থেকেই আমাকে বিয়ের জন্য অনেকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের কাউকেই আমি বিয়ে করিনি। তবে উনিশ বছর বয়সে কলকাতার এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। বিয়েও প্রায় ঠিক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর হয়নি। কারণ তখন আমি মানসিকভাবে বিয়ের জন্য প্রস্তুত ছিলাম না।”

Advertisement
সাবা-সোহার সঙ্গে সাবা

পতৌদি পরিবারের প্রত্যেকেই প্রেম করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। শর্মিলা ঠাকুর থেকে সইফ, সোহা প্রত্যেকের জীবনের কাহিনিই এক। শুধু স্রোতের বিপরীতে হেঁটেছেন সাবা। তবে ওই পডকাস্টে জীবনের আরও এক চরম সত্য খোলসা করেছেন। তিনি বলেন, “আমি এমন কাউকে খুঁজে পাইনি যাঁর সঙ্গে প্রকৃতঅর্থে মানসিক মিল রয়েছে। আর আমার বাবা যেমন অসাধারণ মানুষ ছিলেন। তাঁর মতো কাউকে খুঁজছিলাম বিষয়টা ঠিক তা নয়। তিনি ছিলেন অত্যন্ত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, বিনয়ী, দায়িত্বশীল এবং তিনিই আমাকে স্বাধীন হতে শিখিয়েছেন।”

সইফের দিদি সাবা

তাপসী পান্নুর একটি কথায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন সাবা। সেবিষয়ে সাবা বলেন, “একবার তাপসী পান্নু বলেছিলেন আমার কোনও ছেলে নয়, একজন পরিণত মানুষ দরকার। ওঁর এই কথাটা আমাকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। জীবনে মেনে চলারও চেষ্টা করেছি। কিন্তু, মনের মতো পরিণত মানুষ খুঁজে পাইনি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.