Kolkata

শিকড়ের টানে প্যালেস্টাইন থেকে মণিপুর, তিলোত্তমায় ফিরছে ‘সহজ পরব’

কলকাতার সাংস্কৃতিক মানচিত্রে শিকড়ের সন্ধান দিতে আবারও হাজির ‘সহজ পরব’। আগামী ৬, ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এই লোকসঙ্গীত উৎসবের অষ্টম সংস্করণ। প্যালেস্টাইনের বেহালা থেকে বাংলার বাউল কিংবা মণিপুরি তালের জাদুতে শহরবাসীকে মাতাতে তৈরি লোপামুদ্রা মিত্র প্রোডাকশন ও ‘দোহার’।

Advertisement ad
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ১৮:২১

options
link
শিকড়ের টানে প্যালেস্টাইন থেকে মণিপুর, তিলোত্তমায় ফিরছে ‘সহজ পরব’ zoom
শহর মাতাতে প্রস্তুত লোপামুদ্রা মিত্র প্রোডাকশন ও ‘দোহার’

শীতের বিদায়বেলা। আর বসন্তের আগমনে তিলোত্তমার বুকেও এবার নতুন সুরের মূর্ছনা। কলকাতার সাংস্কৃতিক মানচিত্রে শিকড়ের সন্ধান দিতে আবারও হাজির ‘সহজ পরব’। আগামী ৬, ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এই লোকসঙ্গীত উৎসবের অষ্টম সংস্করণ। প্যালেস্টাইনের বেহালা থেকে বাংলার বাউল কিংবা মণিপুরি তালের জাদুতে শহরবাসীকে মাতাতে তৈরি লোপামুদ্রা মিত্র প্রোডাকশন ও ‘দোহার’।

উৎসবের সূচনায় প্রথম দিন জাদুঘর প্রাঙ্গণে থাকছে ‘সহজ যাত্রা’

২০১৪ সালে লোপামুদ্রা মিত্র এবং প্রয়াত কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্যের হাত ধরে যে যাত্রার শুরু হয়েছিল, আজ তা ১২ বছরে পা দিল। ভারতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণ ও জি.ডি. বিড়লা সভাঘরে বসবে এবারের আসর। উৎসবের সূচনায় প্রথম দিন জাদুঘর প্রাঙ্গণে থাকছে ‘সহজ যাত্রা’। মুর্শিদাবাদের ঢাক, ঝুমুর, বিহু আর শ্রীখোলের মিলিত ছন্দ যেন এক সুরের মায়াজাল বুনবে। ওই দিনই লোকশিল্পী খোদা বক্স ফকিরকে দেওয়া হবে বিশেষ সম্মান। থাকবে দিনাজপুরের মুখা নৃত্য, কাটোয়ার রণপা এবং তুলিকা মণ্ডল ও টুম্পা বর্মনের পরিবেশনায় ‘নারীশ্বর’।

সুরের মূর্ছনায় ভাসাতে হাজির হচ্ছেন প্যালেস্টাইনের বিশিষ্ট বেহালা বাদক আক্রম আব্দুলফতেহ

উৎসবের পরবর্তী দু’দিনের ঠিকানা জি.ডি. বিড়লা সভাঘর। ৭ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় দিনের আকর্ষণে থাকছেন বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী পারভীন সুলতানা। বিদেশি সুরের যাদুতে মাতাতে হাজির হচ্ছেন প্যালেস্টাইনের বিশিষ্ট বেহালা বাদক আক্রম আব্দুলফতেহ। শেষ দিন অর্থাৎ ৮ ফেব্রুয়ারি শ্রোতাদের উপহার দেবে লক্ষণ দাস বাউল, মিহুন এবং পার্বতী বাউলের গান। সঙ্গে থাকছে প্রল্হাদ সিং টিপানিয়া ও পার্বতী বাউলের এক বিরল যুগলবন্দী। উৎসবের পরিসমাপ্তি ঘটবে হরিনাম সংকীর্তনের মাধ্যমে।

লোপামুদ্রা মিত্রের কথায়, “ভারতীয় সঙ্গীতের শিকড় অনেক গভীরে। সেই সম্পদকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।” অন্যদিকে, ‘দোহার’-এর পক্ষে রাজীব দাস জানান, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই পরব নিয়ে প্রবল উৎসাহ তৈরি হয়েছে। উপমহাদেশের নানা প্রান্তের শিল্পীদের এক ছাদের তলায় আনতেই এই উদ্যোগ। শিকড়ের সন্ধানে এই সুরের উৎসব যেন শহরের ক্লান্তি মুছে নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন