সোনু সুদ

লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের কাছে ‘ঈশ্বরের দূত’, নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বই লিখছেন সোনু সুদ

এই সংস্থার তরফেই প্রকাশিত হচ্ছে সোনু সুদের লেখা বই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২০, ১৮:৩৪

options
link
লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের কাছে ‘ঈশ্বরের দূত’, নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বই লিখছেন সোনু সুদ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুঃখ-কষ্টের সাক্ষী বলিউড তারকা সোনু সুদ। ময়দানে নেমে দিনে ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে কাটিয়েছেন তিনি। ভাগীদার হয়েছেন ওদের দুঃখ-দুর্দশার। যার দরুণ গত সাড়ে তিন মাসে অভিনেতার জীবনে আমূল পরিবর্তন এসেছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের সেই দুর্দশার কাহিনিই লিপিবদ্ধ করতে চলেছেন অভিনেতা সোনু (Sonu Sood)। যিনি কিনা লকডাউন পর্বে রিল লাইফ থেকে একেবারে বাস্তবের হিরো হয়ে উঠেছেন। 

Advertisement

হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানো থেকে লকডাউনে তাঁদের মুখে দু’বেলা দু’মুঠো খাবার তুলে দেওয়া, রমজানে রোজার পর ইফতারের ব্যবস্থা করা, পরিবারের কাছে ফেরার জন্য কাউকে যেন আর চোখের জব ফেলতে না হয়, তড়িঘড়ি টোল ফ্রি নম্বর চালু করা ওদের জন্য… কীভাবে এতকিছু একা হাতে সামলালেন সোনু? অবাক হওয়ার মতোই বটে! যেখানে তারকারা ঠান্ডা-ঘরে বসে শুধুমাত্র অর্থসাহায্য করে কিংবা ত্রাণ বিলির আশ্বাস দিয়ে ক্ষান্ত ছিলেন, সোনু কিন্তু রীতিমতো তদারকি করতে মাঠে নেমেছেন। যে মানুষটির প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধায় মন ভরে গিয়েছে গোটা দেশের। মহৎ উদ্যোগে ঝাঁপিয়ে পড়ে রাজনীতির শিকারও হয়েছেন। দমে যাননি। অবিশ্বাস্যই বটে! আর যাবতীয় সেই ঘটনাসমূহকেই এবার বইয়ের আকারে অনুরাগীদের উপহার দিতে চলেছেন বলিউড তারকা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বইয়ের নাম এখনও ঠিক হয়নি। তবে ইতিমধ্যেই স্থির হয়ে গিয়েছে যে সোনু সুদের লেখা বই Penguin Random House India থেকে প্রকাশিত হবে। দিনক্ষণ এখনও স্থির হয়নি বটে, তবে সোনু অনুরাগীরা বলছেন, “শুভকাজে দেরী করবেন না স্যর!”

Advertisement

[আরও পড়ুন: টলিউডে অতিমারী প্রেক্ষাপটে সিনেমা, ফের জুটি বাঁধছেন প্রসেনজিৎ-জয়া]

sonu sood

এপ্রসঙ্গে সোনু জানান, “যখনই দেখছি কেউ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছে, আমার মন আনন্দে ভরে গিয়েছে। ওদের ওই চোখের কোণায় জল আর গালভরা হাসিই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সঞ্চয়। আমি প্রেক্ষিতেই সংকল্প নিয়েছিলাম যে, শেষ পরিযায়ী শ্রমিক বাড়ি না পৌঁছনো পর্যন্ত কাজ করে যাব।”, এক নিঃশ্বাসে বলে চলেন সোনু সুদ।

অভিনেতা মনে করেন যে, এই কাজটির জন্যই নিয়তি তাঁকে মুম্বইতে এনেছিল। “ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই যে পরিযায়ী শ্রমিকদের মাঝে আমাকে তাঁর দূত হিসেবে কাজ করতে পাঠানোর জন্য। আমার হৃদয়জুড়ে মুম্বই হলেও এই পরিযায়ী শ্রমিকদের সূত্রেই আমার গভীরতর যোগাযোগ, নাড়ির টান তৈরি হয়েছে অসম, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ডের গ্রামগঞ্জে। আমি সেই অভিজ্ঞতাই আমার বইয়ে তুলে ধরতে চাই”, মন্তব্য সোনু সুদের।

[আরও পড়ুন: ‘ট্যাক্সে মিলায় ভাইরাস, প্যান্ডেমিক বহুদূর!’, স্যানিটাইজারে ১৮% GST নিয়ে কটাক্ষ অনির্বাণের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন