Srijit Mukherji

‘কিতনে আদমি থে? ১০ সর্দার’, ‘শোলে’র সংলাপেই ডুরান্ড জয়ের উল্লাস ‘মোহনবাগানি’ সৃজিতের

‘দশে মিলে’ই ভারতসেরা মোহনবাগান। উত্তেজনায় ফুটছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৩, ১০:০৯

options
link
‘কিতনে আদমি থে? ১০ সর্দার’, ‘শোলে’র সংলাপেই ডুরান্ড জয়ের উল্লাস ‘মোহনবাগানি’ সৃজিতের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সৃজিত মুখোপাধ্যায় (Srijit Mukherji) বরবারই ক্রীড়াপ্রেমী। ক্রিকেট খেলতে ভালবাসেন। অতীতে একবার কমেন্ট্রিও করেছেন। তবে পরিচালকের ক্রীড়াপ্রেম শুধু বাইশ গজেই সীমাবদ্ধ নয়। ফুটবল নিয়ে বেশ চর্চা করেন তিনি। ক্রীড়াজগতের খুঁটিনাটি সব খবর রাখেন সৃজিত। আর রবিবার মোহনবাগান ( Mohun Bagan) ডুরান্ড কাপ জিততেই ‘শোলে’ সিনেমার সংলাপ ধার করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন পরিচালক।

Advertisement

দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান অনিরুদ্ধ থাপা। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা তাতে উচ্ছ্বসিত হলেও তার কিছুক্ষণের মধ্যেই পালটা দেখিয়ে দিয়েছে মোহনবাগান। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে দশ জনে খেলেও ভারতসেরার শিরোপা ইস্টবেঙ্গলের থেকে ছিনিয়ে নিল সবুজ-মেরুন শিবির। আর সেই প্রেক্ষিতেই উচ্ছ্বসিত সৃজিত। রবিবার রাতে পরিচালকের রসিক পোস্ট দেখে হেসে গড়াল নেটপাড়া। কমেন্টেরও বন্যা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শোলে’ সিনেমার ‘কালিয়া’ ওরফে বিজয় খোটের জনপ্রিয় সংলাপকে হাতিয়ার করেই লাল-হলুদ সমর্থকদের ব্যঙ্গ করেন পরিচালক! সৃজিত মুখোপাধ্যায় লেখেন- “কিতনে আদমি থে? দশ, সর্দার। ফির ভি ওয়াপাস আ গ্যায়ে?” আর সেই পোস্ট দেখেই হেসে গড়ালেন নেটপাড়ার একাংশ। পরিচালকের পোস্টেই ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের নিয়ে ব্যঙ্গ করলেন অনুরাগীরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দেবের কি ডেঙ্গু হয়েছে? ‘জ্বর গায়েও রাত পর্যন্ত শুটিং করেছেন’, জানালেন ‘মিঠাই’ সৌমিতৃষা]

প্রসঙ্গত, ইস্ট-মোহন ডার্বি মানেই অ্যাড্রিনালিনের বন্যা। আর রবিবাসরীয় যুবভারতীতে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হল, তাতে উত্তেজনা ধরে রাখাই ছিল কঠিন। গত ডার্বিতে মোহনবাগানকে মাটি ধরানোয় আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছিলেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। কিন্তু মোহনবাগান হুঙ্কার দিয়ে রেখেছিল, ‘এই মাঠেই বদলা নেব’। তাছাড়া শুধু তো ডার্বি জেতাই নয়, ঐতিহ্যের ডুরান্ড জয়ের হাতছানিও ছিল দুই দলের সামনে। সেই শেষবার ২০০০ সালে ডুরান্ড কাপ জিতেছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। কিন্তু ট্রফি আসেনি। অবশেষে সে এল। লাখো সমর্থকের প্রার্থনা, ফুটবলারদের প্রতিশোধের তাগিদ আর কোচের অ্যাটাকিং ফুটবলের স্ট্র্যাটেজিতেই হল বাজিমাত। আধ ঘণ্টারও বেশি সময় দশ জনে খেলেও যে প্রতিপক্ষকে আটকে দেওয়া যায়, সেটাই বুঝিয়ে দিলেন হুগো বুমোস, পেত্রাতোসরা।

[আরও পড়ুন: ‘জওয়ান’ রিলিজের আগেই বড় ‘Spoiler’ দিলেন খোদ শাহরুখ! কী সেটা?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন