গ্ল্যামারের চাকচিক্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকে কত না অজানা কাহিনি। যা রীতিমতো মানসিক যন্ত্রণার কারণ। বিলাসবহুল জীবনযাপন, নামি-দামী ব্র্যান্ডের গাড়ি, পোশাক, পাঁচতারা রেস্তরাঁয় আনাগোনা সেলিব্রিটিদের এই হাই প্রোফাইল লাইফ স্টাইল আকৃষ্ট করে সাধারণ মানুষকে। কিন্তু, একজন সেলেবকে এই জায়গায় পৌঁছাতে পোড়াতে হয় বহু কাঠখড় পেরতে হয় অনেক কঠিন পথ। জীবনযুদ্ধের সে কথা আর ক’জনই বা জানে! উঠতি অভিনেত্রীরা তো অনেক সময় প্রভাবশালীদের লালসার শিকার হন। জীবনের এমনই এক ভয়াবহু অভিজ্ঞতা ভাগ করলেন ‘স্প্লিটসভিলা ১৬’ খ্যাত আকাঙ্ক্ষা চৌধুরী (Akanksha Choudhary)।
আরও পড়ুন:
এই মুহূর্তে ‘লক আপ ২’-এর প্রতিযোগী আকাঙ্ক্ষা। জেলের ভিতর বসেই কেরিয়ারের গোড়ার দিকের ভয়ংকর স্মৃতিচারণ করলেন অভিনেত্রী। ১৯ বছর বয়সে মডেলিং কেরিয়ার শুরু সময় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি আর্থিক সাহায্যের বিনিময়ে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বিউটি পেজেন্টে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু, সেসময় পোশাক কেনা, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য খরচ বহন করার মতো আর্থিক সামর্থ্য ছিল না আকাঙ্ক্ষার। পরিবারও আর্থিকভাবে সচ্ছ্বল ছিল না।
View this post on InstagramAdvertisement
এদিকে পোশাক, ট্রেনিং ফি এবং অন্যান্য খরচবাবদ প্রয়োজন প্রায় এক থেকে দু’লক্ষ টাকা। আকাঙ্ক্ষার দাবি, বিউটি পেজেন্ট জগতের এক সিনিয়র ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি বহুদিনের পরিচিত। ওই ব্যক্তি একাধিক পেজেন্টে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রতিযোগীদের আর্থিকভাবে সাহায্য করার জন্য বিশেষ পরিচিত ছিলেন। তাই আকাঙ্ক্ষাও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে সাহায্যের জন্য গিয়েছিলেন। তাঁর প্রতিষ্ঠানে কাজ করে আগামীদিনে ঋণ মিটিয়ে দেওয়ার প্রতিজ্ঞাও করেন।
আকাঙ্ক্ষার প্রস্তাবে তিনি রাজি হয়ে যান। কিন্তু, পরিবর্তে যে প্রস্তাব পেয়েছিলেন তাতে একেবারে তাজ্জব বনে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, ওই ব্যক্তি সাহায্য করতে রাজি হন এবং তাঁকে নিজের বাড়িতে আসতে বলেন। অভিনেত্রীর কথায়, আগেও তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন তবে নিরাপত্তহীনতায় ভোগেননি। কিন্তু, সেদিনের পরিস্থিতি ছিল একদম অন্যরকম। তাঁর কথায়, “পৌঁছানোর পরই তিনি প্রথমে আমাকে জড়িয়ে ধরার জন্য এগিয়ে আসেন। কিন্তু আলিঙ্গন করার বদলে তিনি আমাকে ধাক্কা দেন এবং জোর করে চেপে ধরেন। শত বাধা সত্ত্বেও আমাকে সেদিন ছাড়তে চাননি। অগত্যা ওঁর হাত ধরে কোনওক্রমে সরিয়ে দিই।”
View this post on Instagram
আকাঙ্ক্ষার পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ওই ব্যক্তি আর্থিক সাহায্যের পরিবর্তে নিয়মিত শয্যাসঙ্গী হওয়ার প্রস্তাব দেন। তিনি বলেছিলেন, “আমি টাকা দিচ্ছি তার বদলে তোমাকে আমার সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হতে হবে।’ এখানেই শেষ নয়, একটা সময়সূচিও নির্ধারিত করে দিয়েছিলেন। প্রতি মাসে পাঁচ থেকে ছ’বার ওই ব্যক্তিকে যৌনসুখ দিতে হবে। যদিও সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন আকাঙ্ক্ষা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ