প্রথম পাতা খেলা দেশ বিদেশ ই-পেপার
World Music Day

বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে ‘আশা তাই’কে শ্রদ্ধার্ঘ্য রহমানের, প্রকাশ্যে গায়িকার শেষ গানের ঝলক

রবিবার কিংবদন্তি গায়িকাকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়ে শ্রোতা-অনুরাগীদের বিশেষ সারপ্রাইজ দিলেন এআর রহমান।

Advertisement ad
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০২৬, ২১:১৯

options
link
বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে ‘আশা তাই’কে শ্রদ্ধার্ঘ্য রহমানের, প্রকাশ্যে গায়িকার শেষ গানের ঝলক zoom
বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে 'আশা তাই'কে শ্রদ্ধার্ঘ্য রহমানের

১২ এপ্রিল, রবিবাসরীয় বেলায় ইহজগতের মায়া ত্যাগ করে অমৃত সুরালোকের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছেন আশা ভোঁসলে। প্রথমবার ‘আশাহীন’ বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে। সেই প্রেক্ষিতেই রবিবার কিংবদন্তি গায়িকাকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়ে শ্রোতা-অনুরাগীদের বিশেষ সারপ্রাইজ দিলেন এআর রহমান। আশার গাওয়া শেষ গানের ঝলক প্রকাশ্যে আনলেন অস্কারজয়ী সুরকার।

“এই শ্রদ্ধার্ঘ্যর ভাবনা শুরু হয়েছিল যখন আশা ভোঁসলেজি আমাদের মধ্যে ছিলেন। আমরা চেয়েছিলাম, তিনি যেন এই ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি নিজে চাক্ষুষ করতে পারেন।…”

সেই ঝলকেই প্রিয় ‘আশা তাই’য়ের প্রতি রহমানের ভালবাসা ও সম্মানের এক আবেগঘন মুহূর্তের ঝলক ধরা পড়ল। গান তৈরির নেপথ্যের বেশ কিছু দৃশ্য সমাহারে তৈরি হয়েছে মিউজিক ভিডিওর টিজার। সেই ঝলকে বিভিন্ন প্রজন্মের সঙ্গীতশিল্পী ও বাদ্যযন্ত্র শিল্পীদের একসঙ্গে মিলিত হয়ে আশা ভোঁসলের সুরেলা সঙ্গীত সফরকে সম্মান জানানো হয়েছে। যা দেখে অনুরাগীরাও ডুব দিলেন স্মৃতির সাগরে। বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে প্রয়াত কিংবদন্তি শিল্পীর শেষ রেকর্ডিংয়ের ঝলক প্রকাশ্যে এনে রহমানের মন্তব্য, “আজ আমরা এমন এক কণ্ঠকে উদযাপন করছি, যিনি প্রজন্ম, ভাষা ও দেশের সীমানা পেরিয়ে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। এই শ্রদ্ধার্ঘ্যর ভাবনা শুরু হয়েছিল যখন আশা ভোঁসলেজি আমাদের মধ্যে ছিলেন। আমরা চেয়েছিলাম, তিনি যেন এই ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি নিজে চাক্ষুষ করতে পারেন।” কিন্তু এপ্রিলের এক কালবেলায় ইহজগতের মায়া ত্যাগ করে অমৃত সুরালোকে পাড়ি দেন আশা ভোঁসলে। ২১ জুন, রবিবার গানে গানে তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়েই বিশেষ উদ্যোগ রহমানের।

আশা ভোঁসলে

মিউজিক মায়েস্ত্রোর সংযোজন, “বিশ্বজুড়ে আমরা সঙ্গীতের কিংবদন্তিদের উদযাপন করি। আমরা ভাগ্যবান যে, আমরা ভাগ্যবান যে আমাদের নিজেদেরও এমন একজন শিল্পী ছিলেন, যার কণ্ঠ অসংখ্য মানুষের জীবনের সাউন্ডট্র্যাক হয়ে উঠেছে। তাঁকে সম্মান জানানোর সবচেয়ে সুন্দর উপায় ছিল বিভিন্ন শিল্পী, সংস্কৃতি ও সুরকে একত্রিত করা। আশাজির গান যেন আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। আশা করি, যতটা ভালোবাসা দিয়ে আমরা এটি তৈরি করেছি, আপনারাও ঠিক ততটাই ভালোবাসা দিয়ে এই গানটিকে নিজেদের করে নেবেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন