Onion

ঝড়বৃষ্টিতে পিঁয়াজ ও ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি, মাথায় হাত কৃষকদের

কালনা, কাটোয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি কৃষকরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২৬, ১৩:৫০

options
link
ঝড়বৃষ্টিতে পিঁয়াজ ও ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি, মাথায় হাত কৃষকদের
কালবৈশাখীতে পিঁয়াজ ও ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি। ফাইল ছবি

কালবৈশাখীর ঝড়বৃষ্টিতে কাটোয়ার বেশকিছু এলাকায় কৃষিজমির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে কাটোয়ার সুদপুর, টিকর খাজি, পলসোনা, কোয়ারা, দোনা, মেজিয়ারি প্রভৃতি এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পিঁয়াজ চাষে। খড়িনদী সংলগ্ন বিঘার পর বিঘা পিঁয়াজজমি জলমগ্ন। কৃষকরা জলের তলা থেকে পিঁয়াজ তুলে যতটা পারছেন বাড়ি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

Advertisement

পলসোনা অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি বীরবল মণ্ডলের দাবি, “শুধুমাত্র পলসোনা অঞ্চলেই প্রায় ৩০০ বিঘা পিঁয়াজ জমি জলমগ্ন। আমরা কৃষকদের ক্ষতিপূরণের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করছি।” পাশাপাশি কাটোয়ার করুই ও গিধগ্রামের কলসা এলাকায় পিঁয়াজের পাশাপাশি বোরোধানের জমিতেও ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এইসময় ধানগাছে থোর এসেছে। শিলাবৃষ্টির জেরে ধানগাছগুলি নুইয়ে পড়েছে। ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও কৃষিবিভাগের পূর্ব বর্ধমান জেলা উপ কৃষি অধিকর্তা অমর মণ্ডল বলেন, “শুক্রবারের ঝড়বৃষ্টিতে তেমন ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। কাটোয়া, ভাতার ও মঙ্গলকোট এলাকার কিছু অংশে হাল্কা শিলাবৃষ্টি হয়েছিল। তাতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি কিছু হয়নি। নদী তীরবর্তী যেসব জমি জলমগ্ন রয়েছে সেই জল দ্রুত নেমে যাবে। আমরা নজর রাখছি।” কাটোয়ার আলমপুর অঞ্চলের বরমপুর গ্রামে আনারুল শেখ নামে এক ব্যক্তির খড়ের ছাউনি মাটির বাড়ির চাল উড়ে গিয়েছে। ঘরের জিনিসপত্র তছনছ হয়ে যায়। পরিবারের চারজন সদস্য আশ্রয় নিয়েছেন প্রতিবেশীর বাড়িতে।

Advertisement

গত শুক্রবার পূর্বস্থলী, মন্তেশ্বর বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাতের সঙ্গে বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টিতে পিঁয়াজ ও ধানের ক্ষতির আশঙ্কা চাষিদের। কারণ এখনও পর্যন্ত পূর্বস্থলী ১ ও ২ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় পিঁয়াজ উঠছে। বহু পিঁয়াজ এখনও জমিতেই পড়ে রয়েছে। ইনজারুল শেখ নামের এক চাষি বলেন, “খুব অল্প পরিমাণ শিলাবৃষ্টি হলেও প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গে ঝড়টাও হয়েছে প্রচুর পরিমাণে। পিঁয়াজ ও ধানের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন