Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Mango

অকালবৃষ্টিতে অঘটন? আমের ফলন নিয়ে চিন্তায় কৃষকরা

ফাল্গুন মাসের শেষ ও চৈত্র মাসের শুরুর এই সময়টাতে আবহাওয়া অত্যন্ত শুষ্ক থাকে। তবে এবার অকালবৃষ্টিতে বাড়ছে চিন্তা।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৫:১২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৫:১২

options
link
অকালবৃষ্টিতে অঘটন? আমের ফলন নিয়ে চিন্তায় কৃষকরা zoom
অকালবৃষ্টিতে আমের ফলন নিয়ে চিন্তায় কৃষকরা। ছবি: সংগৃহীত

আর কয়েকদিনের অপেক্ষা, তারপরেই বাঙালির পাতে উঠতে চলেছে আমের সম্ভার। কিন্তু তার আগেই দু’দিনের অকালবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির প্রভাব নিয়ে জেলার আম চাষিরাও দ্বিধাবিভক্ত। একদল জানাচ্ছেন, এই সময়ের বৃষ্টিতে আম চাষে সার্বিকভাবে লাভই হবে। পর্যাপ্ত জল পেয়ে ফলন ভালো হবে আমের। অপর একপক্ষের বক্তব্য, সবেমাত্র মুকুল থেকে ছোট ছোট আমের দেখা মিলেছিল। এই বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ায় অনেক ফলই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তবে আগামী কয়েকদিনে যদি আবারও ঝড়বৃষ্টি হয় তাহলে আমের ফলনের ক্ষেত্রে তা যে অত্যন্ত খারাপ প্রভাব ফেলবে, সেই বিষয়ে ফসল বিশেষজ্ঞদের সকলেই একমত।

ঘটনা হল, গত দু’দিন ধরে বীরভূমের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। কোথাও কোথাও বৃষ্টির সঙ্গেই বয়েছে ঝোড়ো হাওয়া, কোথাও হয়েছে শিলাবৃষ্টি। চাষিরা জানাচ্ছেন, ফাল্গুন মাসের শেষ ও চৈত্র মাসের শুরুর এই সময়টাতে আবহাওয়া অত্যন্ত শুষ্ক থাকে। তাই গাছে সঠিক পরিমাণ জল না গেলে ফল পরিপুষ্ট হয় না। তাই এই সময়ে আম গাছের গোড়ায় জল দিতে হয়। পাশাপাশি, আমের পাতাতেও জল ছড়াতে হয়, যাতে পাতাগুলি সতেজ থাকে। কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই বড় বড় গাছে জল স্প্রে করা অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ হওয়ায় বৃষ্টির উপরেই ভরসা করতে হয় ক্ষুদ্র চাষিদের। ফলে এই অকাল বৃষ্টিতে চাষিদের কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে গিয়েছে। গোড়ায় জল পাওয়ার পাশাপাশি গাছ সতেজতাও ফিরে পেয়েছে।

Advertisement

জেলা উপ কৃষি অধিকর্তা (উদ্যান পালন) সুবিমল মণ্ডল জানান, এই বৃষ্টি আমচাষের পক্ষে অত্যন্ত সহায়ক। গাছের পাতায় দীর্ঘদিন ধরে ধুলো ময়লা জমলে রোগের আক্রমণ হতে পারে, যার ফলে সার্বিক বৃদ্ধি ব্যহত হতে পারে। মুকুলের গোড়ায় জল পড়লেও ফলন ভাল হয়। তা ছাড়া এমনিতেও এক হাজার মুকুলে একটি মাত্র আম সঠিকভাবে পরিপুষ্টতা পায়। পাশাপাশি হিমসাগর ছাড়া অন্যান্য আমের এখনও মুকুল থেকে গুটি আসেনি। তাই কিছু মুকুল ঝরে যাওয়া নিয়ে চিন্তার কিছুই নেই। বৃষ্টির ফলে গাছ ও ফলের বিকাশ সুন্দর হবে।

তবে যেসব এলাকায় বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে, সেখানে ফলনের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তবে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়ে গেলে পরিস্থিতি সামলে নেওয়া যাবে বলে দাবি চাষিদের। সিউড়ি ১ ব্লকের পাথরচাপুড়ি এলাকার এক আম চাষি রহিম মণ্ডল বলেন, “ঝড়ে আমের মুকুল ঝরে যাওয়ায় কিছুটা ক্ষতি হয়েছে, তবে সেই ক্ষতি সামলে নেওয়া যাবে, যদি আর ঝড় না হয়। কিন্তু আবার ঝড় হলে আমাদের মতো ছোট চাষিদের পক্ষে ফলন ধরে রাখা কঠিন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.