Murder

মদ্যপ অবস্থায় নিয়মিত মাকে ‘মারধর’, ক্ষোভে বাবাকে পিটিয়ে খুন ভোপালের নাবালিকার!

খুনের পর নিজেই ১০০ ডায়াল করে ওই নাবালিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০২০, ১৫:২৯

options
link
মদ্যপ অবস্থায় নিয়মিত মাকে ‘মারধর’, ক্ষোভে বাবাকে পিটিয়ে খুন ভোপালের নাবালিকার!
ছবি : প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিয়মিত মদ্যপ অবস্থায় মায়ের উপর অত্যাচার করতেন বাবা। যার জেরে বাবার উপর চরম রাগ জমেছিল নাবালিকার মনে। তার পরিণতি হল ভয়ংকর। আক্রোশের জেরে পিটিয়ে বাবাকে খুন করল বছর ১৬-এর ওই নাবালিকা। ঘটনাটি ভোপালের (Bhopal)। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, এক ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রদেশের ভোপালে থাকতেন ওই ব্যক্তি। বর্তমানে কোনও কাজ করতেন না তিনি। সংসারের দায়িত্ব ছিল ছেলের কাঁধে। তা সত্ত্বেও নিয়মিত মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরতেন। অশান্তি করতেন স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে। মারধর করতেন স্ত্রীকে। যার জেরে বাবার উপর ক্ষোভ জন্মেছিল নাবালিকার। ঘটনার দিন নাবালিকার দাদার বিয়ে নিয়ে আলোচনা করছিলেন পরিবারের সদস্যরা। সেই সময়ই মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরেন ওই ব্যক্তি। আচমকা অশান্তি শুরু করেন। সেই সময়ই হাতের সামনে থাকা কাপড় কাচার ব্যাট দিয়ে বাবার মাথায় মারতে শুরু করে বছর ওই নাবালিকা। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বিহারের পর আরও দুই রাজ্যে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিনের ঘোষণা! অব্যাহত রাজনৈতিক তরজা]

পুলিশ সূত্রে খবর, এরপর নিজেই ১০০ ডায়াল করে অভিযুক্ত নাবালিকা। গোটা বিষয়টি জানিয়ে আত্মসমর্পণ করে সে। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। নাবালিকাকে পাঠানো হয়েছে জুভেনাইল হোমে। তদন্তকারীদের কথা, দীর্ঘদিন ধরে মায়ের উপর ঘটে চলা অত্যাচার দেখার জেরেই প্রবল রাগ তৈরি হয়েছিল নাবালিকার মনে। যার পরিণতি এই ঘটনা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আর বেশিদিনের অপেক্ষা নয়! তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের ছাড়পত্র পেয়ে গেল কোভ্যাক্সিন]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.