Srinagar

উপত্যকায় সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র! শ্রীনগরে স্যাটেলাইট ফোন-সহ গ্রেপ্তার ২ আমেরিকান

রবিবার শ্রীনগর বিমানবন্দরে রুটিন তল্লাশির সময় ওই দুই মার্কিন নাগরিকের কাছ থেকে উদ্ধার হয় গারমিন সংস্থার একটি স্যাটেলাইট ফোন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ১৮:৪১

options
link
উপত্যকায় সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র! শ্রীনগরে স্যাটেলাইট ফোন-সহ গ্রেপ্তার ২ আমেরিকান
স্যাটেলাইট ফোন-সহ গ্রেপ্তার ২ মার্কিন নাগরিক।

উপত্যকায় সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র করছে বিদেশি কোনও শক্তি। সেই জল্পনা উসকে রবিবার শ্রীনগর বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হল দুই মার্কিন নাগরিক। সন্দেহভাজন ওই দু’জনের ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয়েছে স্যাটেলাইট ফোন। যার ব্যাগ থেকে ফোনটি উদ্ধার হয় তিনি জেফরি স্কট। দু’জনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার শ্রীনগর বিমানবন্দরে রুটিন তল্লাশির সময় ওই দুই মার্কিন নাগরিকের কাছ থেকে উদ্ধার হয় গারমিন সংস্থার একটি স্যাটেলাইট ফোন। ভারতে কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ এই ফোন তাঁরা কেন ও কী উদ্দেশে এনেছিলেন সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হলেও, কোনও সদুত্তর মেলেনি। এই অবস্থায় দু’জনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। জম্মু ও কাশ্মীরের মতো সংবেদনশীল জায়গায় ভ্রমণ নাকি অন্য কোনও উদ্দেশে তারা স্যাটেলাইট ফোন নিয়ে এসেছিলেন তা জানার চেষ্টা করছে নিরাপত্তা বিভাগ।

Advertisement

ভারতে কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ এই ফোন তাঁরা কেন ও কী উদ্দেশে এনেছিলেন সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হলেও, কোনও সদুত্তর মেলেনি। এই অবস্থায় দু’জনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

ভারতে সরকারি অনুমতি ছাড়া স্যাটেলাইট ফোনের ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। থুরায়া এবং ইরিডিয়াম ফোনের মতো ডিভাইসগুলিও কঠোর নিয়ন্ত্রণের আওতাভুক্ত। অনুমতি ছাড়া এগুলি কাছে রাখলে ভারতীয় আইন ও অন্যান্য নিরাপত্তা বিধির অধীনে আটক, গ্রেপ্তার এবং বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, দেশে স্যাটেলাইট ফোন বহন বা ব্যবহারের আগে পর্যটকদের অবশ্যই সরকারের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। সেখানে বিনা অনুমতিতে তাও আবার কাশ্মীরের মতো জায়গায় এই ফোন উদ্ধারে সতর্ক প্রশাসন।

Advertisement

উল্লেখ্য, সাম্প্রতি সময়ে দেশের একাধিক জায়গায় বৈদেশিক ষড়যন্ত্র সামনে এসেছে। গত মাসে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ও সন্ত্রাসীদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ৭ বিদেশিকে। এই তালিকায় ছিল ৬ ইউক্রেনীয় ও এক আমেরিকান। জানা যাচ্ছে, অভিযুক্তরা ইউরোপ থেকে অবৈধ উপায়ে ড্রোন নিয়ে ভারতে এসেছিল। সেই ড্রোন তারা তুলে দেয় মায়ানমারের সন্ত্রাসী সংগঠনের হাতে। এমনকী ভারতের নিষিদ্ধ তালিকায় থাকা সন্ত্রাসীদেরও সাহায্য করেছিল অভিযুক্তরা। ঘটনায় ইউএপিএ ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। এই পরিস্থিতির মাঝে কাশ্মীরে স্যাটেলাইট ফোন-সহ দুই মার্কিন নাগরিকের গ্রেপ্তারি জল্পনা বাড়াতে শুরু করেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.