Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

যোগীরাজ্যে মসজিদেই গণধর্ষণ! ঝাড়ফুঁকের নামে মহিলাকে নির্যাতনে অভিযুক্ত মৌলবী ও সহযোগী

কাউকে কিছু জানালে ঘটনার ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেন অভিযুক্তরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ১৯:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ১৯:৪০

options
link
যোগীরাজ্যে মসজিদেই গণধর্ষণ! ঝাড়ফুঁকের নামে মহিলাকে নির্যাতনে অভিযুক্ত মৌলবী ও সহযোগী zoom
প্রতীকী ছবি

ফের নারী নির্যাতনের ঘটনায় উঠে এল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) নাম। মসজিদ চত্বরে এক মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক মৌলবী ও তাঁর সহযোগীর বিরুদ্ধে। গত ১৫ এপ্রিল উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে ঘটনাটি ঘটেছে। নির্যাতিতার অভিযোগ, দুষ্কর্মের ভিডিও করে রেখেছিলেন অভিযুক্তরা। কাউকে ঘটনার বিষয়ে জানালে ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেন তাঁরা। পাশাপাশি মহিলার স্বামী ও সন্তানকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পুলিশ চাপ সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন নির্যাতিতা।

জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী মহিলার সন্তান খুবই অসুস্থ। তাকে সুস্থ করার কথা বলে ঝাড়ফুঁক করতে ওই মহিলা ও তাঁর সন্তানকে মসজিদে নিয়ে যান এলাকারই এক যুবক। সেই মতো ১৫ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০ টা নাগাদ এলাকারই একটি মসজিদে সন্তানকে নিয়ে যান তিনি। সেখানে ওই মহিলা ও তাঁর সন্তানকে মাদুলি ভেজানো জল খেতে দেন মসজিদের মৌলবী। এরপর তাঁদের একটি ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছে মা ও সন্তান দুজনেই অজ্ঞান হয়ে যান। মহিলার অভিযোগ, ওই জলে নেশাজাতীয় কোনও পদার্থ মেশানো ছিল। সেই কারণে জল পান করার কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁরা জ্ঞান হারান। এরপর মৌলবী ও তাঁর সহযোগী মিলে মহিলাকে গণধর্ষণ করেন। জ্ঞান ফিরলে তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেন। পাশাপাশি তিনি জানতে পারেন, অভিযুক্তরা গোটা ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করে রেখেছেন। কাউকে কিছু জানালে ভিডিওটি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেন তাঁরা। এমনকী স্বামী ও সন্তানকে খুনের হুমকিও দিয়েছেন ওই মৌলবী এবং তাঁর সহযোগী।

Advertisement

উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন অভিযোগকারী মহিলা। তাঁর অভিযোগকে গুরুত্ব না দিয়ে উলটে চুপ করে থাকার জন্য চাপ তৈরি করা হয়েছে। পরে ওই মহিলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের দ্বারস্থ হন। তিনি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.